/
পাইলস আর পায়খানার সঙ্গে রক্ত যাওয়ার কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা সম্পর্কে জানুন। কখন অপারেশন প্রয়োজন এবং কখন Colorectal Surgeon-এর পরামর্শ নেবেন, তা জানুন।

পায়খানার সময় টাটকা লাল রক্ত দেখা, মলদ্বারে চুলকানি, অস্বস্তি বা মাংসপিণ্ডের মতো কিছু বের হয়ে আসা—এসব পাইলসের (Piles বা Hemorrhoids) লক্ষণ হতে পারে। তবে পায়খানার সঙ্গে রক্ত গেলেই যে পাইলস হয়েছে, তা নয়। অ্যানাল ফিশার, অন্ত্রের প্রদাহ, পলিপসহ অন্যান্য রোগেও মলদ্বার দিয়ে রক্তপাত হতে পারে।
পাইলস একটি সাধারণ সমস্যা, যা অনেক ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে সঠিক কারণ নির্ণয় না করে নিজে থেকে চিকিৎসা শুরু করা উচিত নয়।
পাইলসের লক্ষণ নির্ভর করে এটি মলদ্বারের ভেতরে (Internal Hemorrhoids) নাকি বাইরে (External Hemorrhoids) হয়েছে, তার ওপর। কারও শুধু রক্তপাত হয়, আবার কারও চুলকানি, ব্যথা বা মাংসপিণ্ড বের হওয়ার সমস্যা দেখা দেয়।
পাইলসের একটি পরিচিত লক্ষণ হলো মলত্যাগের সময় বা পরে টাটকা লাল রক্ত দেখা। টয়লেট পেপারে রক্তের দাগ, মলের গায়ে রক্ত অথবা কমোডের পানিতে রক্ত দেখা যেতে পারে।
বিশেষ করে অভ্যন্তরীণ পাইলসে রক্তপাত হলেও ব্যথা নাও থাকতে পারে। তবে রক্তের রং দেখে একা পাইলস নিশ্চিত করা যায় না।
মলদ্বারের আশপাশে চুলকানি, জ্বালাপোড়া, ভেজা ভাব বা পরিষ্কার করার পরও অস্বস্তি থাকতে পারে। পাইলসের কারণে মলদ্বারের চারপাশে জ্বালা ও ত্বকের অস্বস্তি বাড়তে পারে।
তবে এসব লক্ষণ ত্বকের সংক্রমণ বা অন্যান্য মলদ্বারের সমস্যাতেও হতে পারে।
বাহ্যিক পাইলসে মলদ্বারের চারপাশে গুটি বা ফোলাভাব দেখা যেতে পারে। রক্ত জমাট বাঁধলে গুটিটি শক্ত ও অত্যন্ত ব্যথাযুক্ত হতে পারে।
মলদ্বারে যেকোনো নতুন গুটি দেখা দিলে সেটিকে পাইলস ধরে না নিয়ে চিকিৎসকের মাধ্যমে পরীক্ষা করানো ভালো।
অভ্যন্তরীণ পাইলস বড় হলে মলত্যাগের সময় মলদ্বারের বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে এটি নিজে থেকেই ভেতরে ফিরে যেতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে হাতে আলতো করে ভেতরে ঢোকাতে হয়, আবার গুরুতর অবস্থায় বাইরে বেরিয়ে থাকা অংশ আর ভেতরে নাও ফিরতে পারে।
এ অবস্থায় ব্যথা, ফোলা বা রক্তপাত থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
অভ্যন্তরীণ পাইলসে সাধারণত ব্যথা কম থাকে, যদি না পাইলস বাইরে বেরিয়ে আসে বা অন্য কোনো জটিলতা হয়। বাহ্যিক পাইলসে, বিশেষ করে রক্ত জমাট বাঁধলে, তীব্র ব্যথা হতে পারে।
মলত্যাগের সময় তীব্র কাটা-কাটা ব্যথা হলে অ্যানাল ফিশারের মতো অন্য সমস্যাও বিবেচনা করতে হয়।
না। পাইলস মলদ্বার দিয়ে রক্তপাতের একটি সম্ভাব্য কারণ, কিন্তু একমাত্র কারণ নয়। রক্তপাতের উৎস নির্ণয়ের জন্য উপসর্গ, শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য পরীক্ষা করা হয়।
পাইলসের ক্ষেত্রে সাধারণত উজ্জ্বল লাল রক্ত মলের গায়ে, টয়লেট পেপারে বা কমোডে দেখা যেতে পারে। অভ্যন্তরীণ পাইলসে রক্তপাত প্রায়ই ব্যথাহীন হয়।
তবে শুধু রক্তের রং বা রক্তপাতের ধরন দেখে নিশ্চিতভাবে পাইলস নির্ণয় করা সম্ভব নয়।
অ্যানাল ফিশার (Anal Fissure) হলো মলদ্বারের ত্বকে ছোট ফাটল বা ক্ষত। শক্ত মল, কোষ্ঠকাঠিন্য বা অতিরিক্ত চাপ দেওয়ার কারণে এটি হতে পারে।
এতে মলত্যাগের সময় তীব্র কাটা-কাটা ব্যথা এবং টাটকা লাল রক্ত দেখা যেতে পারে। পাইলসের তুলনায় ব্যথা বেশি হওয়া ফিশারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
অ্যানাল ফিস্টুলা (Anal Fistula) হলো মলদ্বারের ভেতর থেকে আশপাশের ত্বকের সঙ্গে তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক পথ। এতে মলদ্বারের পাশে ছোট ছিদ্র, পুঁজ বা দুর্গন্ধযুক্ত তরল বের হওয়া, ফোলা ও ব্যথা হতে পারে।
এ ছাড়া মলদ্বারের ফোঁড়া, প্রদাহ এবং অন্যান্য রোগেও অনুরূপ উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
বারবার রক্তপাত, মলের অভ্যাসে পরিবর্তন, দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, পেটে ব্যথা, অকারণে ওজন কমে যাওয়া বা রক্তস্বল্পতার লক্ষণ থাকলে অন্ত্রের অন্য রোগের সম্ভাবনা মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
কোলোরেক্টাল পলিপ, প্রদাহজনিত অন্ত্রের রোগ এবং কোলন বা মলাশয়ের ক্যান্সারও রক্তপাতের কারণ হতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া রক্তপাতকে পাইলস বলে ধরে নেওয়া নিরাপদ নয়।
মলদ্বারের ভেতরে ও চারপাশে থাকা রক্তনালি এবং সহায়ক টিস্যুর ওপর চাপ বেড়ে গেলে পাইলসের সমস্যা তৈরি হতে পারে। কিছু অভ্যাস ও শারীরিক অবস্থা এ ঝুঁকি বাড়ায়।
শক্ত মল বের করতে বারবার জোর দেওয়া মলদ্বারের ওপর চাপ বাড়ায়। দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে পাইলসের উপসর্গ দেখা দিতে পারে বা বেড়ে যেতে পারে।
খাদ্যতালিকায় আঁশ কম থাকলে মল শক্ত হতে পারে এবং মলত্যাগে অসুবিধা হতে পারে। শাকসবজি, ফল, ডাল ও পূর্ণশস্যের মতো আঁশযুক্ত খাবার মল নরম রাখতে সাহায্য করে।
টয়লেটে দীর্ঘ সময় বসে থাকা এবং মলত্যাগের জন্য অপ্রয়োজনীয়ভাবে চাপ দেওয়া পাইলসের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। মলত্যাগের প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত দেরি না করে টয়লেটে যাওয়া এবং কাজ শেষ হলে উঠে আসা ভালো।
গর্ভাবস্থায় পেটের ভেতরের চাপ বৃদ্ধি, হরমোনের পরিবর্তন এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে পাইলসের ঝুঁকি বাড়তে পারে। বয়স বাড়ার সঙ্গে মলদ্বারের সহায়ক টিস্যু দুর্বল হয়ে যাওয়াও একটি কারণ।
অতিরিক্ত ওজন, কম শারীরিক কার্যকলাপ এবং দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য পাইলসের সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
পাইলসের চিকিৎসা নির্ভর করে রোগের ধরন, তীব্রতা, রক্তপাত, ব্যথা এবং মাংসপিণ্ড বাইরে বেরিয়ে আসে কি না—এসব বিষয়ের ওপর। সব রোগীর অপারেশন প্রয়োজন হয় না।
প্রাথমিক পর্যায়ে উপসর্গ কমাতে সাধারণত নিচের পদক্ষেপগুলো সহায়ক:
প্রতিদিন পর্যাপ্ত আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া।
শরীরের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত পানি পান করা।
মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ না দেওয়া।
টয়লেটে অপ্রয়োজনীয়ভাবে দীর্ঘক্ষণ বসে না থাকা।
নিয়মিত হাঁটা বা শারীরিক কার্যকলাপ করা।
কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।
কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসক ব্যথা, চুলকানি বা ফোলা কমানোর জন্য উপযুক্ত ওষুধ, মল নরম করার ওষুধ বা স্থানীয়ভাবে ব্যবহারের ক্রিম দিতে পারেন।
কিছু ক্রিম বা সাপোজিটরি সাময়িক আরাম দিলেও সব সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়। বিশেষ করে স্টেরয়েডযুক্ত ক্রিম চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যবহার করা উচিত নয়।
কিছু অভ্যন্তরীণ পাইলসে রাবার ব্যান্ড লিগেশন (Rubber Band Ligation) করা হয়। এ পদ্ধতিতে পাইলসের গোড়ায় বিশেষ ব্যান্ড লাগিয়ে রক্ত সরবরাহ বন্ধ করা হয়, ফলে পাইলসের অংশটি ধীরে ধীরে শুকিয়ে যায়।
রোগের ধরন অনুযায়ী স্ক্লেরোথেরাপি বা অন্যান্য চিকিৎসাপদ্ধতিও বিবেচনা করা হতে পারে। কোন পদ্ধতি উপযুক্ত হবে, তা চিকিৎসক নির্ধারণ করেন।
পাইলস বড় হলে, বারবার রক্তপাত হলে, মলদ্বারের বাইরে বেরিয়ে থাকা অংশ গুরুতর হলে অথবা অন্যান্য চিকিৎসায় উপকার না হলে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে।
সার্জারির সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে রক্তপাতের অন্য কোনো কারণ আছে কি না, সেটিও মূল্যায়ন করা জরুরি।
না। অনেক রোগীর ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন, কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ন্ত্রণ, ওষুধ বা অপারেশনবিহীন পদ্ধতিতে উপসর্গ কমানো সম্ভব। তবে গুরুতর বা জটিল পাইলসে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।
প্রাথমিক পর্যায়ের পাইলসে আঁশযুক্ত খাবার, পর্যাপ্ত পানি এবং মলত্যাগের অভ্যাস পরিবর্তন করে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ বা রাবার ব্যান্ড লিগেশনের মতো পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
নিচের পরিস্থিতিতে চিকিৎসক প্রক্রিয়াগত চিকিৎসা বা অস্ত্রোপচার বিবেচনা করতে পারেন:
বারবার রক্তপাত হওয়া।
বড় পাইলস বাইরে বেরিয়ে আসা।
পাইলসের কারণে উল্লেখযোগ্য ব্যথা বা দৈনন্দিন কাজে অসুবিধা হওয়া।
প্রাথমিক চিকিৎসায় উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ না হওয়া।
রক্তপাতের কারণে রক্তস্বল্পতা তৈরি হওয়া।
হ্যাঁ, চিকিৎসার পরও পাইলস আবার হতে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্য, মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ এবং দীর্ঘক্ষণ টয়লেটে বসে থাকার মতো অভ্যাস বজায় থাকলে পুনরায় উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
তাই চিকিৎসার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও মলত্যাগের অভ্যাস বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
পাইলসের ক্ষেত্রে এমন খাবার উপকারী, যা মল নরম রাখতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে।
খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন:
শাকসবজি ও বিভিন্ন ধরনের সবজি।
পেয়ারা, নাশপাতি, পেঁপে ও অন্যান্য আঁশযুক্ত ফল।
ডাল, ছোলা ও অন্যান্য ডালজাতীয় খাবার।
লাল চাল, ওটস ও পূর্ণশস্যের খাবার।
আঁশ ধীরে ধীরে বাড়ানো ভালো, যাতে পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি কম হয়।
পর্যাপ্ত পানি ও অন্যান্য উপযুক্ত তরল আঁশকে কার্যকরভাবে কাজ করতে সাহায্য করে এবং মল নরম রাখতে সহায়তা করে। তবে কিডনি বা হৃদ্রোগের কারণে তরল গ্রহণে সীমাবদ্ধতা থাকলে চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
নিয়মিত হাঁটা, মলত্যাগের বেগ চেপে না রাখা এবং টয়লেটে অতিরিক্ত সময় না কাটানো কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
পাইলস হলেই ঝাল, মাছ, মাংস বা নির্দিষ্ট কোনো খাবার সম্পূর্ণ বাদ দিতে হবে—এমন সর্বজনীন নিয়ম নেই। তবে কোনো খাবারে ব্যক্তিগতভাবে অস্বস্তি বা কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়লে সেটির পরিমাণ ও খাদ্যাভ্যাস পর্যালোচনা করা যেতে পারে।
মলদ্বারে রক্তপাত বা গুটি দেখা দিলে নিজে থেকে রোগ নির্ণয় না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
প্রথমবার রক্তপাত হলেও চিকিৎসকের মাধ্যমে কারণ নির্ণয় করানো উচিত। রক্তপাত পাইলসের কারণে হতে পারে, কিন্তু অন্য রোগের সম্ভাবনাও বাদ দিতে হয়।
বারবার রক্তপাত, স্থায়ী ব্যথা, চুলকানি বা চিকিৎসা নেওয়ার পরও উপসর্গ না কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
নতুন গুটি, বাইরে বেরিয়ে থাকা মাংসপিণ্ড, পুঁজ বা ফোলাভাব হলে পরীক্ষা করানো দরকার। এসব লক্ষণের কারণ শুধু পাইলস নাও হতে পারে।
নিচের লক্ষণগুলোর কোনোটি থাকলে জরুরি বিভাগে যান:
প্রচুর বা অবিরাম রক্তপাত।
রক্তপাতের সঙ্গে মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা তীব্র দুর্বলতা।
কালো, আলকাতরার মতো পায়খানা।
তীব্র মলদ্বার ব্যথার সঙ্গে জ্বর বা পুঁজ।
তীব্র পেটব্যথার সঙ্গে রক্তপাত।
পাইলসের প্রথম লক্ষণ হিসেবে পায়খানার সময় টাটকা লাল রক্ত, মলদ্বারে চুলকানি বা অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। কারও ক্ষেত্রে মলদ্বারের কাছে গুটি বা মাংসপিণ্ড অনুভূত হয়। তবে এসব লক্ষণ অন্য রোগেও হতে পারে।
হ্যাঁ, পাইলসের রক্তপাত সাধারণত উজ্জ্বল লাল হতে পারে। তবে রক্তের রং দেখে একা পাইলস নিশ্চিত করা যায় না। কালো পায়খানা বা প্রচুর রক্তপাত হলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে।
সব সময় নয়। অভ্যন্তরীণ পাইলসে রক্তপাত হলেও ব্যথা নাও থাকতে পারে। বাহ্যিক পাইলসে, বিশেষ করে রক্ত জমাট বাঁধলে, তীব্র ব্যথা হতে পারে।
হালকা পাইলসের উপসর্গ খাদ্যাভ্যাস ও মলত্যাগের অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে কমে যেতে পারে। তবে রক্তপাত বা অন্যান্য উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
পাইলসের জন্য কোলোরেক্টাল সার্জন (Colorectal Surgeon) বা জেনারেল সার্জন (General Surgeon)-এর পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। প্রয়োজনে প্রাথমিক মূল্যায়নের জন্য অন্য চিকিৎসকও সহায়তা করতে পারেন।
যখন পাইলস গুরুতর হয়, বারবার রক্তপাত বা বাইরে বেরিয়ে আসার সমস্যা থাকে, অথবা অন্যান্য চিকিৎসায় উপকার পাওয়া যায় না, তখন অস্ত্রোপচার বিবেচনা করা হতে পারে। সিদ্ধান্তটি চিকিৎসকের পরীক্ষার পর নেওয়া হয়।
অ্যানাল ফিশার (Anal Fissure): কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা
অ্যানাল ফিস্টুলা (Anal Fistula): লক্ষণ ও অপারেশন
কোষ্ঠকাঠিন্য (Constipation): কারণ ও প্রতিকার
পায়খানার সঙ্গে রক্ত যাওয়ার কারণ
কোলন ও রেকটাল ক্যান্সারের লক্ষণ
কোলোরেক্টাল সার্জন কখন দেখাবেন?
এই নিবন্ধটি স্বাস্থ্যশিক্ষার উদ্দেশ্যে তৈরি। এটি চিকিৎসকের পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। মলদ্বার দিয়ে রক্তপাত, তীব্র ব্যথা, নতুন গুটি বা অন্য কোনো উদ্বেগজনক উপসর্গ থাকলে নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। প্রচুর রক্তপাত, মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে জরুরি চিকিৎসা নিন।
Content Source: Doctors24 Official YouTube Channel
Medical Expert Featured: ডাঃ মৌটুসী রহমান, এমবিবিএস, এফসিপিএস (সার্জারী), এডভান্সড ব্রেস্ট সার্জারী (ইউ কে), ফেলোশিপ ইন কলনোস্কপি (ইন্ডিয়া), সহকারী অধ্যাপক (সার্জারী বিভাগ), উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল
Content Prepared & Published By: Doctors24 Editorial Team
Last Updated: 13 October 2026 • Read Editorial Policy →
Connect with experienced colorectal surgeon near you for consultation and treatment.
97 Doctors
34 Doctors
9 Doctors
16 Doctors
15 Doctors
4 Doctors
Read More About This Topic