মূত্রনালির সংক্রমণ (UTI): কারণ, লক্ষণ, পরীক্ষা, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ

"মূত্রনালির সংক্রমণ (Urinary Tract Infection বা UTI ) হলো মূত্রতন্ত্রের (কিডনি, ইউরেটার, মূত্রথলি ও মূত্রনালি) যেকোনো অংশে হওয়া একটি সাধারণ সংক্রমণ। এটি সাধারণত..."
মূত্রনালির সংক্রমণ (Urinary Tract Infection বা UTI) হলো মূত্রতন্ত্রের (কিডনি, ইউরেটার, মূত্রথলি ও মূত্রনালি) যেকোনো অংশে হওয়া একটি সাধারণ সংক্রমণ। এটি সাধারণত ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয় এবং নারীদের মধ্যে বেশি দেখা গেলেও পুরুষ, শিশু ও বয়স্কদেরও হতে পারে।
বাংলাদেশে অনেকেই "প্রস্রাবে ইনফেকশন", "প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া", "প্রস্রাবে ব্যথা", "বারবার প্রস্রাব হওয়া" বা "প্রস্রাবে সংক্রমণ" নামে এই সমস্যাটি খুঁজে থাকেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সময়মতো চিকিৎসা নিলে UTI সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায়। তবে চিকিৎসা না করলে সংক্রমণ কিডনিতে ছড়িয়ে গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।
বিশেষ করে জ্বর, কাঁপুনি, কোমরের একপাশে তীব্র ব্যথা, বমি বা গর্ভাবস্থায় UTI-এর লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি, কারণ এটি কিডনির সংক্রমণ (Pyelonephritis)-এর লক্ষণ হতে পারে।
মূত্রনালির সংক্রমণ (UTI) কী?
মূত্রনালির সংক্রমণ (UTI) হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে ব্যাকটেরিয়া, খুব কম ক্ষেত্রে ভাইরাস বা ছত্রাক, মূত্রনালিতে প্রবেশ করে সংক্রমণ সৃষ্টি করে। সবচেয়ে সাধারণ জীবাণু হলো Escherichia coli (E. coli), যা অন্ত্রে স্বাভাবিকভাবে থাকে এবং মূত্রনালিতে প্রবেশ করলে সংক্রমণ ঘটাতে পারে।
সংক্ষেপে (Quick Facts)
বিষয় | তথ্য |
|---|---|
চিকিৎসা নাম | Urinary Tract Infection (UTI) |
সবচেয়ে সাধারণ জীবাণু | Escherichia coli (E. coli) |
প্রধান লক্ষণ | প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, ঘন ঘন প্রস্রাব, তলপেটে ব্যথা |
সবচেয়ে গুরুতর জটিলতা | কিডনির সংক্রমণ (Pyelonephritis) |
প্রধান পরীক্ষা | Urine R/E, Urine Culture & Sensitivity |
কোন বিশেষজ্ঞ দেখাবেন | মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, ইউরোলজিস্ট |
চিকিৎসা | অ্যান্টিবায়োটিক, পর্যাপ্ত পানি পান ও কারণভিত্তিক চিকিৎসা |
🚨 জরুরি চিকিৎসা নিন যদি—
১০১°F (৩৮.৩°C) বা তার বেশি জ্বর হয়।
কাঁপুনি ও কোমরের একপাশে তীব্র ব্যথা থাকে।
বারবার বমি হয়।
প্রস্রাবে রক্ত যায়।
গর্ভাবস্থায় UTI-এর লক্ষণ দেখা দেয়।
শিশু বা বয়স্ক ব্যক্তির আচরণ হঠাৎ পরিবর্তন হয়।
UTI-এর ধরন
Lower UTI
Lower UTI মূত্রথলি বা মূত্রনালির সংক্রমণকে বোঝায়। এর মধ্যে রয়েছে—
Urethritis (মূত্রনালির সংক্রমণ)
Cystitis (মূত্রথলির সংক্রমণ)
এগুলো সবচেয়ে বেশি দেখা যায় এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসায় ভালো হয়ে যায়।
Upper UTI
Upper UTI-তে সংক্রমণ কিডনিতে পৌঁছে যায়। একে Pyelonephritis বলা হয় এবং এটি গুরুতর অবস্থা। অনেক ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে।
UTI-এর লক্ষণ
সংক্রমণের স্থান ও তীব্রতার ওপর ভিত্তি করে লক্ষণ ভিন্ন হতে পারে।
প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া
ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ
অল্প অল্প প্রস্রাব হওয়া
প্রস্রাবের তীব্র চাপ অনুভব করা
প্রস্রাব ঘোলা বা দুর্গন্ধযুক্ত হওয়া
প্রস্রাবে রক্ত দেখা যেতে পারে
তলপেট বা শ্রোণী অঞ্চলে ব্যথা
জ্বর
কোমরের পাশে ব্যথা
বমি বা বমি বমি ভাব
UTI-এর কারণ
১. ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে E. coli ব্যাকটেরিয়া মলদ্বারের আশপাশ থেকে মূত্রনালিতে প্রবেশ করে সংক্রমণ সৃষ্টি করে।
২. যৌনমিলন
যৌনমিলনের পরে বিশেষ করে নারীদের মধ্যে UTI-এর ঝুঁকি কিছুটা বেড়ে যায়।
৩. পর্যাপ্ত পানি না পান করা
কম পানি পান করলে প্রস্রাব কম হয় এবং জীবাণু সহজে বের হতে পারে না।
৪. দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব আটকে রাখা
প্রস্রাব ধরে রাখলে ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পেতে পারে।
৫. কিডনি বা মূত্রথলির পাথর
প্রস্রাবের প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।
৬. প্রোস্টেট বড় হয়ে যাওয়া
পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রস্রাব সম্পূর্ণ বের না হলে সংক্রমণ হতে পারে।
৭. ক্যাথেটার ব্যবহার
দীর্ঘদিন ইউরিনারি ক্যাথেটার ব্যবহার করলে সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
৮. ডায়াবেটিস
অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে UTI-এর ঝুঁকি বেশি থাকে।
নারীদের UTI কেন বেশি হয়?
নারীদের মূত্রনালি পুরুষদের তুলনায় ছোট হওয়ায় ব্যাকটেরিয়া সহজে মূত্রথলিতে পৌঁছাতে পারে।
ঝুঁকি বাড়ে—
যৌনমিলনের পর
গর্ভাবস্থায়
মেনোপজের পরে
কিছু জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারে
পূর্বে বারবার UTI হয়ে থাকলে
পুরুষদের UTI কেন হয়?
পুরুষদের UTI তুলনামূলক কম হলেও হলে কারণ খুঁজে বের করা জরুরি।
সম্ভাব্য কারণ—
প্রোস্টেট বড় হওয়া
কিডনিতে পাথর
প্রস্রাব আটকে থাকা
ক্যাথেটার
ডায়াবেটিস
মূত্রনালির গঠনগত সমস্যা
শিশুদের UTI-এর লক্ষণ
শিশুদের ক্ষেত্রে লক্ষণ সবসময় স্পষ্ট নাও হতে পারে।
জ্বর
খাওয়া কমে যাওয়া
বমি
অতিরিক্ত কান্না
দুর্গন্ধযুক্ত প্রস্রাব
ওজন না বাড়া
বড় শিশুদের ক্ষেত্রে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া
গর্ভাবস্থায় UTI
গর্ভাবস্থায় হরমোনগত পরিবর্তন ও মূত্রপ্রবাহ ধীর হয়ে যাওয়ার কারণে UTI-এর ঝুঁকি বাড়ে।
চিকিৎসা না করলে হতে পারে—
কিডনির সংক্রমণ
অকাল প্রসব
কম ওজনের শিশুর জন্ম
তাই গর্ভাবস্থায় UTI-এর যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
কারা বেশি ঝুঁকিতে?
নারীরা
গর্ভবতী নারী
ডায়াবেটিস রোগী
বয়স্ক ব্যক্তি
কিডনিতে পাথর রয়েছে এমন ব্যক্তি
প্রোস্টেট বড় হওয়া পুরুষ
দীর্ঘদিন ক্যাথেটার ব্যবহারকারী
যাদের বারবার UTI হয়
কীভাবে রোগ নির্ণয় করা হয়?
রোগের ইতিহাস
চিকিৎসক জানতে পারেন—
কখন থেকে সমস্যা
প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া আছে কি না
জ্বর আছে কি না
কোমরে ব্যথা আছে কি না
পূর্বে UTI হয়েছে কি না
গর্ভাবস্থা বা ডায়াবেটিস আছে কি না
শারীরিক পরীক্ষা
তলপেট পরীক্ষা
কোমরের পাশ (Costovertebral Angle) পরীক্ষা
জ্বর মূল্যায়ন
প্রয়োজনে প্রোস্টেট পরীক্ষা
UTI নির্ণয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা
পরীক্ষা | কেন করা হয় |
|---|---|
Urine R/E | সংক্রমণের প্রাথমিক মূল্যায়ন |
Urine Dipstick | দ্রুত সংক্রমণের ইঙ্গিত পেতে |
Urine Microscopy | পুঁজকোষ ও ব্যাকটেরিয়া দেখতে |
Urine Culture & Sensitivity | জীবাণু শনাক্ত ও উপযুক্ত অ্যান্টিবায়োটিক নির্বাচন করতে |
CBC | সংক্রমণের মাত্রা মূল্যায়নে |
Serum Creatinine | কিডনির কার্যকারিতা মূল্যায়নে |
CRP | প্রদাহের মাত্রা মূল্যায়নে |
Ultrasound KUB | পাথর বা প্রস্রাবের বাধা আছে কি না দেখতে |
CT Scan (প্রয়োজনে) | জটিল সংক্রমণ মূল্যায়নে |
গুরুত্বপূর্ণ: সম্ভব হলে অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করার আগে Urine Culture-এর নমুনা সংগ্রহ করা উচিত, বিশেষ করে জটিল বা পুনঃপুন UTI-এর ক্ষেত্রে।
UTI-এর চিকিৎসা
চিকিৎসা রোগের ধরন, তীব্রতা, বয়স, গর্ভাবস্থা এবং অন্যান্য শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে।
ওষুধ
চিকিৎসক প্রয়োজনে দিতে পারেন—
উপযুক্ত অ্যান্টিবায়োটিক
ব্যথা বা জ্বালাপোড়া কমানোর ওষুধ
জ্বরের ওষুধ
নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করবেন না এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করবেন না।
হাসপাতালে ভর্তি প্রয়োজন হতে পারে যদি—
কিডনির সংক্রমণ হয়
বারবার বমি হয়
সেপসিসের লক্ষণ থাকে
গর্ভাবস্থায় গুরুতর UTI হয়
রোগী মুখে ওষুধ খেতে না পারেন
জটিল (Complicated) UTI কী?
নিচের পরিস্থিতিতে UTI-কে জটিল (Complicated UTI) হিসেবে বিবেচনা করা হয়—
পুরুষদের UTI
গর্ভাবস্থা
ডায়াবেটিস
কিডনিতে পাথর
প্রস্রাবের বাধা
ক্যাথেটার
কিডনি রোগ
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা
এ ধরনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরীক্ষা ও নিবিড় চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।
ঘরোয়া করণীয়
পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
প্রস্রাব চেপে রাখবেন না।
চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী পুরো ওষুধের কোর্স শেষ করুন।
ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন।
জ্বর থাকলে বিশ্রাম নিন।
কখন জরুরি চিকিৎসা নেবেন?
নিচের যেকোনো লক্ষণ থাকলে দ্রুত হাসপাতালে যান—
জ্বর ও কাঁপুনি
কোমরের একপাশে তীব্র ব্যথা
বারবার বমি
প্রস্রাবে প্রচুর রক্ত
গর্ভাবস্থায় UTI-এর লক্ষণ
বিভ্রান্তি বা অচেতনভাব
কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?
প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া ২৪–৪৮ ঘণ্টার বেশি থাকলে
বারবার UTI হলে
পুরুষের UTI হলে
শিশুর UTI হলে
ডায়াবেটিস বা কিডনি রোগ থাকলে
গর্ভাবস্থায় যেকোনো UTI-এর লক্ষণ দেখা দিলে
সম্ভাব্য জটিলতা
চিকিৎসা না করলে হতে পারে—
কিডনির সংক্রমণ
কিডনির স্থায়ী ক্ষতি
বারবার UTI
সেপসিস (রক্তে সংক্রমণ)
গর্ভাবস্থার জটিলতা
প্রতিরোধের উপায়
পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
প্রস্রাব চেপে রাখবেন না।
যৌনমিলনের পর প্রস্রাব করুন।
নারীরা টয়লেট ব্যবহারের পর সামনে থেকে পিছনের দিকে পরিষ্কার করুন।
সুতি অন্তর্বাস ব্যবহার করুন।
ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
অপ্রয়োজনীয় ক্যাথেটার ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করবেন না।
UTI হলে কোন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
ইউরোলজিস্ট
নেফ্রোলজিস্ট (কিডনির জটিলতা থাকলে)
গাইনি বিশেষজ্ঞ (গর্ভবতী নারীর ক্ষেত্রে)
শিশু বিশেষজ্ঞ (শিশুদের ক্ষেত্রে)
UTI নির্ণয়ে যেসব পরীক্ষা বেশি করা হয়
Urine R/E
Urine Culture & Sensitivity
CBC
Serum Creatinine
CRP
Ultrasound KUB
CT KUB (প্রয়োজনে)
প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
UTI কি ছোঁয়াচে?
না। সাধারণ UTI সরাসরি একজন থেকে অন্যজনের মধ্যে ছড়ায় না।
UTI কি কিডনির ক্ষতি করতে পারে?
হ্যাঁ। চিকিৎসা না করলে সংক্রমণ কিডনিতে ছড়িয়ে স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে।
UTI কি বারবার হতে পারে?
হ্যাঁ। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এটি পুনঃপুন হতে পারে এবং কারণ অনুসন্ধান প্রয়োজন।
UTI কি যৌনবাহিত রোগ?
না। UTI এবং যৌনবাহিত সংক্রমণ (STI) এক নয়, যদিও কিছু ক্ষেত্রে লক্ষণ মিল থাকতে পারে।
প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া মানেই কি UTI?
না। কিডনির পাথর, STI বা অন্যান্য সমস্যাতেও এমন হতে পারে। সঠিক রোগ নির্ণয়ের জন্য পরীক্ষা প্রয়োজন।
UTI হলে বেশি পানি পান করা কি উপকারী?
হ্যাঁ। পর্যাপ্ত পানি প্রস্রাবের মাধ্যমে কিছু জীবাণু বের হতে সাহায্য করে, তবে এটি অ্যান্টিবায়োটিকের বিকল্প নয়।
UTI হলে কি অপারেশন লাগে?
সাধারণ UTI-তে অপারেশন লাগে না। তবে পাথর, প্রস্রাবের বাধা বা অন্য জটিল কারণ থাকলে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে।
মূল বিষয়গুলো (Key Takeaways)
UTI হলো মূত্রতন্ত্রের একটি সাধারণ ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ।
প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, ঘন ঘন প্রস্রাব ও তলপেটে ব্যথা এর প্রধান লক্ষণ।
Urine R/E এবং Urine Culture & Sensitivity রোগ নির্ণয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।
জ্বর, কোমরে ব্যথা বা বমি থাকলে কিডনির সংক্রমণের সম্ভাবনা বিবেচনা করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া উচিত।
পর্যাপ্ত পানি পান, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও সম্পূর্ণ অ্যান্টিবায়োটিক কোর্স শেষ করা UTI প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ।
তথ্যসূত্র
European Association of Urology (EAU) Guidelines on Urological Infections
American Urological Association (AUA)
Infectious Diseases Society of America (IDSA)
National Institute for Health and Care Excellence (NICE)
Centers for Disease Control and Prevention (CDC)
World Health Organization (WHO)
Medical Review
গুরুত্বপূর্ণ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র স্বাস্থ্যশিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। এটি চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, ঘন ঘন প্রস্রাব, জ্বর, কোমরে ব্যথা, প্রস্রাবে রক্ত বা বারবার UTI-এর লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ বা ইউরোলজিস্টের পরামর্শ নিন। প্রয়োজনে Urine R/E ও Urine Culture & Sensitivity পরীক্ষা করিয়ে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করুন।
Content prepared by: Doctors24 Editorial Team
Medical information is verified using registered doctor data and trusted healthcare sources
Information sources: Public records, hospital data, and provided credentials
Published At: August 8, 2026
Last updated: August 8, 2026 • Read Editorial Policy →
Find Nephrologist in Your Area
Connect with experienced nephrologist near you for consultation and treatment.





