চোখে ব্যথা: চোখের চাপ, ইনফেকশন নাকি মাইগ্রেন? কারণ, পরীক্ষা, চিকিৎসা ও কোন ডাক্তার দেখাবেন

Doctors24 Editorial TeamAugust 19, 2026
bengali-eye-pain-health-infographic
Key Overview

"চোখে ব্যথা (Eye Pain) একটি সাধারণ সমস্যা হলেও এর কারণ অনেক রকম হতে পারে। চোখের শুষ্কতা, অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারে চোখের ক্লান্তি, চোখের ইনফেকশন, চোখের আঘাত, চোখ..."

চোখে ব্যথা (Eye Pain) একটি সাধারণ সমস্যা হলেও এর কারণ অনেক রকম হতে পারে। চোখের শুষ্কতা, অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারে চোখের ক্লান্তি, চোখের ইনফেকশন, চোখের আঘাত, চোখের ভেতরের প্রদাহ, গ্লুকোমা বা চোখের আশপাশের সমস্যার কারণে ব্যথা হতে পারে। আবার কিছু ক্ষেত্রে মাইগ্রেন বা অন্য ধরনের মাথাব্যথা থেকেও চোখের চারপাশে বা চোখের পেছনে ব্যথা অনুভূত হতে পারে।

তাই শুধু ব্যথার ধরন দেখে নিজে থেকে “চোখের চাপ বেড়েছে” বা “ইনফেকশন হয়েছে” ধরে নেওয়া ঠিক নয়। বিশেষ করে চোখে ব্যথার সঙ্গে দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তন, চোখ লাল হওয়া বা আলো সহ্য না হওয়া থাকলে দ্রুত চোখের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

চোখে ব্যথা কেন হয়?

চোখে ব্যথার কারণ চোখের ভেতরের রোগ, চোখের পৃষ্ঠের সমস্যা অথবা চোখের আশপাশের অন্য কোনো সমস্যাও হতে পারে।

সাধারণ কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে—

  • Dry Eye বা চোখ শুষ্ক হয়ে যাওয়া

  • দীর্ঘক্ষণ মোবাইল, কম্পিউটার বা স্ক্রিন ব্যবহারজনিত Eye Strain

  • Conjunctivitis বা চোখের সংক্রমণ

  • Corneal abrasion বা কর্নিয়ায় সামান্য আঘাত

  • চোখে ধুলো বা বিদেশি বস্তু ঢুকে যাওয়া

  • Contact lens-সংক্রান্ত সমস্যা

  • Uveitis বা চোখের ভেতরের প্রদাহ

  • Glaucoma

  • চোখ বা মাথায় আঘাত

  • সাইনাসের সমস্যা

  • মাইগ্রেন

  • Cluster headache

  • চোখের আশপাশের স্নায়ু বা অন্যান্য সমস্যার কারণে ব্যথা

কোন কারণটি দায়ী তা বুঝতে ব্যথার সঙ্গে দৃষ্টিশক্তি, চোখের লালভাব, পানি পড়া, আলো সহ্য না হওয়া এবং মাথাব্যথার মতো উপসর্গ আছে কি না—এসব বিবেচনা করা হয়।

চোখের চাপ বেড়ে গেলে কি চোখে ব্যথা হয়?

“চোখের চাপ” বলতে সাধারণত Intraocular Pressure (IOP) বোঝানো হয়। চোখের চাপ বেড়ে যাওয়া গ্লুকোমার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সাধারণ ধরনের গ্লুকোমা অনেক সময় কোনো ব্যথা বা উপসর্গ ছাড়াই ধীরে ধীরে দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি করতে পারে

অন্যদিকে, Acute Angle-Closure Glaucoma-এর মতো জরুরি অবস্থায় হঠাৎ—

  • তীব্র চোখের ব্যথা

  • চোখ লাল হয়ে যাওয়া

  • ঝাপসা দেখা

  • আলো দেখলে রংধনুর মতো Halos দেখা

  • মাথাব্যথা

  • বমি বমি ভাব বা বমি

হতে পারে। এটি চোখের দৃষ্টিশক্তির জন্য জরুরি অবস্থা এবং দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।

চোখের ইনফেকশন হলে কী লক্ষণ থাকে?

চোখের সংক্রমণের ধরন অনুযায়ী উপসর্গ আলাদা হতে পারে।

সাধারণ লক্ষণগুলো হলো—

  • চোখ লাল হওয়া

  • চোখে ব্যথা বা জ্বালাপোড়া

  • চোখ দিয়ে পানি পড়া

  • চোখে পুঁজ বা আঠালো স্রাব

  • চোখে কিছু আটকে থাকার মতো অনুভূতি

  • চোখের পাতা ফুলে যাওয়া

  • আলো সহ্য না হওয়া

  • কখনো ঝাপসা দেখা

তবে সাধারণ Conjunctivitis-এর পাশাপাশি কর্নিয়ার সংক্রমণ বা অন্য গভীর চোখের সংক্রমণও হতে পারে। বিশেষ করে Contact lens ব্যবহারকারীর চোখে ব্যথা ও দৃষ্টিশক্তি কমে গেলে দ্রুত চোখের চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন।

মাইগ্রেন থেকে কি চোখে ব্যথা হতে পারে?

হ্যাঁ। মাইগ্রেনে সাধারণত মাথার এক পাশে বা আশপাশে স্পন্দনশীল ব্যথা হতে পারে এবং চোখের চারপাশেও অস্বস্তি বা ব্যথা অনুভূত হতে পারে।

মাইগ্রেনের সঙ্গে থাকতে পারে—

  • মাথাব্যথা

  • আলো সহ্য না হওয়া

  • শব্দে অস্বস্তি

  • বমি বমি ভাব বা বমি

  • কখনো Visual Aura বা চোখের সামনে ঝিকমিক/আলোর পরিবর্তন

সাধারণ মাইগ্রেনে চোখ পরীক্ষা সাধারণত স্বাভাবিক থাকে। তাই চোখে প্রকৃত কোনো অস্বাভাবিকতা আছে কি না, বিশেষ করে নতুন ধরনের ব্যথা হলে, তা আগে মূল্যায়ন করা গুরুত্বপূর্ণ।

চোখে ব্যথা কিন্তু চোখের রোগ নয়—আর কী হতে পারে?

Dry Eye

চোখ পর্যাপ্ত অশ্রু তৈরি না করলে বা অশ্রু দ্রুত শুকিয়ে গেলে চোখে—

  • জ্বালাপোড়া

  • খসখসে অনুভূতি

  • ব্যথা

  • পানি পড়া

  • চোখে ক্লান্তি

হতে পারে।

Eye Strain

দীর্ঘক্ষণ মোবাইল, কম্পিউটার বা কাছ থেকে কাজ করার কারণে চোখ ক্লান্ত হতে পারে। এর সঙ্গে চোখের চারপাশে ব্যথা, মাথাব্যথা বা চোখ বন্ধ রাখতে ইচ্ছা হতে পারে।

সাইনাসের সমস্যা

সাইনাসের প্রদাহ বা চাপের কারণে চোখের চারপাশে বা কপালে চাপ ও ব্যথা অনুভূত হতে পারে।

দাঁত বা মুখের অন্যান্য সমস্যা

কখনো চোখের আশপাশে অনুভূত ব্যথা পাশের দাঁত, মুখের স্নায়ু বা অন্যান্য সমস্যার কারণেও হতে পারে।

চোখে ব্যথার সঙ্গে কোন লক্ষণ বেশি গুরুত্বের?

নিচের লক্ষণগুলো থাকলে চোখের ব্যথাকে অবহেলা করা উচিত নয়—

  • দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে যাওয়া

  • হঠাৎ দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া

  • চোখ খুব লাল হয়ে যাওয়া

  • আলো সহ্য না হওয়া

  • চোখের সামনে নতুন Floaters বা Flashes দেখা

  • চোখ নাড়ালে ব্যথা হওয়া

  • চোখের পাতা খুব ফুলে যাওয়া

  • চোখ থেকে পুঁজ বা রক্ত বের হওয়া

  • তীব্র মাথাব্যথার সঙ্গে চোখে ব্যথা

  • বমি বা বমি বমি ভাবের সঙ্গে তীব্র চোখের ব্যথা

চোখে ব্যথার সঙ্গে দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তন বা খুব লাল চোখ থাকলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া উচিত।

কখন চোখের ব্যথা জরুরি অবস্থা হতে পারে?

নিচের পরিস্থিতিতে দেরি না করে জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে

  • হঠাৎ তীব্র চোখের ব্যথা শুরু হওয়া

  • হঠাৎ দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া

  • চোখ লাল + তীব্র ব্যথা + মাথাব্যথা + বমি

  • চোখে আঘাত বা চোখ ফুটো হওয়ার মতো ঘটনা

  • চোখে রাসায়নিক পদার্থ পড়া

  • Contact lens ব্যবহারের সঙ্গে চোখে তীব্র ব্যথা ও দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া

  • চোখ নাড়াতে তীব্র ব্যথা, চোখ ফুলে যাওয়া ও জ্বর

  • চোখের সামনে হঠাৎ পর্দা বা কালো ছায়া নেমে আসা

হঠাৎ তীব্র চোখের ব্যথা বা হঠাৎ দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে যাওয়া জরুরি মূল্যায়নের বিষয়।

চোখে ব্যথা হলে কী কী পরীক্ষা করবেন?

সব রোগীর একই পরীক্ষা প্রয়োজন হয় না। একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রথমে উপসর্গ ও চোখ পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নির্বাচন করেন।

Visual Acuity Test

চোখে কতটা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে তা পরীক্ষা করা হয়। দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তন চোখের ব্যথার কারণ নির্ণয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে পারে।

Eye Examination

চোখের পাতা, চোখের পৃষ্ঠ, কর্নিয়া, পিউপিল এবং চোখের অন্যান্য অংশ পরীক্ষা করা হয়।

Slit-Lamp Examination

Slit Lamp দিয়ে চোখের সামনের অংশকে বড় করে পরীক্ষা করা হয়। কর্নিয়া, Conjunctiva, Iris এবং চোখের সামনের অংশের প্রদাহ বা সংক্রমণ শনাক্ত করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ।

Intraocular Pressure বা IOP

চোখের চাপ মাপা হয়। গ্লুকোমার মূল্যায়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও শুধু IOP-এর একটি সংখ্যা দিয়ে গ্লুকোমা নিশ্চিত বা বাদ দেওয়া যায় না। গ্লুকোমা মূল্যায়নে আরও কিছু পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে।

Fundus Examination

চোখের ভেতরের Retina ও Optic Nerve পরীক্ষা করা হয়। বিশেষ করে দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তন বা নির্দিষ্ট চোখের রোগের সন্দেহ থাকলে এটি করা হয়।

Visual Field Test

গ্লুকোমা বা Optic Nerve-এর সমস্যায় দৃষ্টিক্ষেত্রের কোনো অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করা হয়।

Gonioscopy

গ্লুকোমার ধরন নির্ণয় করতে চোখের Drainage Angle পরীক্ষা করা হতে পারে। বিশেষ করে Angle-Closure Glaucoma-এর মূল্যায়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ।

OCT

Optical Coherence Tomography (OCT) দিয়ে Retina ও Optic Nerve-এর সূক্ষ্ম স্তরগুলো পরীক্ষা করা যায়। গ্লুকোমা বা রেটিনার কিছু সমস্যায় এটি ব্যবহার করা হয়।

CT বা MRI

সাধারণ চোখের ব্যথায় সবসময় CT বা MRI প্রয়োজন হয় না। তবে চোখের পেছনের সমস্যা, গুরুতর আঘাত, Orbital Infection বা স্নায়ুজনিত সমস্যার সন্দেহ থাকলে চিকিৎসক Imaging Test বিবেচনা করতে পারেন।

চোখে ব্যথার চিকিৎসা

চিকিৎসা সম্পূর্ণভাবে কারণের ওপর নির্ভর করে।

Dry Eye হলে

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী—

  • Artificial Tears

  • স্ক্রিন ব্যবহারে বিরতি

  • চোখের পাতা ও চোখের পরিচ্ছন্নতা

  • পর্যাপ্ত বিশ্রাম

ইত্যাদি উপকারী হতে পারে।

চোখের ইনফেকশন হলে

সংক্রমণের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসা করা হয়। কিছু সংক্রমণে শুধু supportive care যথেষ্ট হতে পারে, আবার ব্যাকটেরিয়াল বা নির্দিষ্ট কর্নিয়াল সংক্রমণে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ বা Eye Drop প্রয়োজন হতে পারে।

নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক বা স্টেরয়েড Eye Drop ব্যবহার করা উচিত নয়।

গ্লুকোমা হলে

গ্লুকোমার ধরন অনুযায়ী Eye Drop, লেজার বা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চোখের চাপ নিয়ন্ত্রণ করা হতে পারে। Acute Angle-Closure Glaucoma হলে দ্রুত চিকিৎসা জরুরি।

মাইগ্রেন হলে

চোখের পরীক্ষা স্বাভাবিক থাকলে এবং উপসর্গ মাইগ্রেনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে চিকিৎসক মাইগ্রেনের চিকিৎসা দিতে পারেন। মাইগ্রেনের নির্ণয় সাধারণত রোগীর ইতিহাস ও শারীরিক পরীক্ষার ভিত্তিতে করা হয়; সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো একক চোখের পরীক্ষা দিয়ে এটি নির্ণয় করা হয় না।

চোখে ব্যথা হলে বাড়িতে কী করবেন?

  • চোখকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিন।

  • দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিন ব্যবহার করলে নিয়মিত বিরতি নিন।

  • চোখ ঘষবেন না।

  • চোখে ধুলো ঢুকলে পরিষ্কার পানি দিয়ে আলতোভাবে ধুয়ে নিতে পারেন।

  • Contact lens ব্যবহার করলে ব্যথা হলে তা খুলে ফেলুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

  • চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া Eye Drop ব্যবহার করবেন না।

চোখে ব্যথা হলে কী করবেন না?

  • চোখ ঘষবেন না।

  • নিজের ইচ্ছায় Antibiotic বা Steroid Eye Drop ব্যবহার করবেন না।

  • অন্যের ব্যবহৃত Eye Drop ব্যবহার করবেন না।

  • চোখে তেল, মধু বা কোনো ঘরোয়া উপাদান দেবেন না।

  • চোখে আটকে থাকা কোনো বস্তু জোর করে বের করার চেষ্টা করবেন না।

  • গুরুতর ব্যথা বা দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তন হলে শুধু ব্যথানাশক খেয়ে অপেক্ষা করবেন না।

চোখে ব্যথা হলে কোন ডাক্তার দেখাবেন?

চোখে ব্যথার জন্য প্রধানত চক্ষু বিশেষজ্ঞ (Ophthalmologist) দেখানো সবচেয়ে উপযুক্ত।

প্রয়োজনে—

  • Ophthalmologist: চোখের ইনফেকশন, গ্লুকোমা, কর্নিয়া, Retina ও অন্যান্য চোখের রোগের মূল্যায়ন ও চিকিৎসার জন্য।

  • Neurologist: চোখের পরীক্ষা স্বাভাবিক হলেও মাইগ্রেন বা অন্য স্নায়ুজনিত মাথাব্যথার সন্দেহ থাকলে।

  • ENT Specialist: সাইনাস বা আশপাশের সমস্যার কারণে চোখের চারপাশে ব্যথা হলে।

  • Dentist: দাঁতের সমস্যা থেকে চোখের আশপাশে ব্যথা হলে।

চোখে ব্যথার সঙ্গে দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তন থাকলে প্রথমে Ophthalmologist-এর মূল্যায়ন নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

চোখে ব্যথা মানেই কি চোখের চাপ বেড়েছে?

না। চোখে ব্যথার অনেক কারণ রয়েছে। সাধারণ গ্লুকোমা অনেক সময় কোনো ব্যথা ছাড়াই ধীরে ধীরে দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি করতে পারে। তবে Acute Angle-Closure Glaucoma-তে তীব্র ব্যথা, চোখ লাল হওয়া, ঝাপসা দেখা, মাথাব্যথা ও বমি হতে পারে।

চোখের ইনফেকশনে কি চোখে ব্যথা হয়?

হ্যাঁ। সংক্রমণের ধরন অনুযায়ী চোখ লাল হওয়া, ব্যথা, পানি পড়া, স্রাব এবং আলো সহ্য না হওয়ার মতো উপসর্গ হতে পারে।

মাইগ্রেনের কারণে কি চোখে ব্যথা হতে পারে?

হ্যাঁ। মাইগ্রেনে চোখের চারপাশে অস্বস্তি বা ব্যথা এবং আলো সহ্য না হওয়া থাকতে পারে। তবে নতুন বা তীব্র চোখের ব্যথায় আগে চোখের রোগগুলো মূল্যায়ন করা গুরুত্বপূর্ণ।

চোখে ব্যথা হলে কোন পরীক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?

প্রাথমিকভাবে Visual Acuity, চোখের শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রয়োজনে Slit-Lamp Examination ও IOP মাপা হতে পারে। লক্ষণ অনুযায়ী Fundus, Visual Field, OCT বা অন্যান্য পরীক্ষা করা হয়।

চোখে ব্যথা হলে কখন হাসপাতালে যাবেন?

হঠাৎ তীব্র চোখের ব্যথা, হঠাৎ দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, চোখ লাল ও ব্যথাযুক্ত হওয়ার সঙ্গে তীব্র মাথাব্যথা বা বমি, চোখে গুরুতর আঘাত বা রাসায়নিক পদার্থ পড়লে জরুরি চিকিৎসা নিন।

চোখে ব্যথা হলে কোন ডাক্তার দেখাবেন?

প্রথমে চক্ষু বিশেষজ্ঞ (Ophthalmologist) দেখানো সবচেয়ে উপযুক্ত।

সঠিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

চোখে ব্যথা সাধারণ সমস্যা হলেও এর কারণ নিরীহ চোখের ক্লান্তি থেকে শুরু করে গ্লুকোমা বা চোখের গুরুতর সংক্রমণ পর্যন্ত হতে পারে। তাই চোখে ব্যথার সঙ্গে দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তন, চোখ লাল হওয়া বা আলো সহ্য না হওয়া থাকলে অবহেলা না করে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

আপনার এলাকার অভিজ্ঞ চক্ষু বিশেষজ্ঞ (Ophthalmologist) খুঁজে পেতে Doctors24-এর ডাক্তার ডিরেক্টরি ব্যবহার করতে পারেন।

মেডিক্যাল ডিসক্লেইমার

এই নিবন্ধটি সাধারণ স্বাস্থ্য তথ্যের উদ্দেশ্যে তৈরি। এটি চিকিৎসকের পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। হঠাৎ তীব্র চোখের ব্যথা, দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া, চোখ লাল ও ব্যথাযুক্ত হওয়ার সঙ্গে তীব্র মাথাব্যথা বা বমি, চোখে গুরুতর আঘাত বা রাসায়নিক পদার্থ পড়লে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা গ্রহণ করুন।

Content prepared by: Doctors24 Editorial Team

Medical information is verified using registered doctor data and trusted healthcare sources

Information sources: Public records, hospital data, and provided credentials

Published At: August 19, 2026

Last updated: August 19, 2026 Read Editorial Policy →

Related Eye Specialist Articles

View all →

Related Eye Specialist Videos

View all →