/
শিশুর জন্মগত হৃদরোগ, হার্টে ছিদ্র, লক্ষণ, ECHO, চিকিৎসা ও কখন Pediatric Cardiologist দেখাবেন

শিশুর ঠোঁট বা জিহ্বা নীলচে হওয়া, দুধ খাওয়ার সময় দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত ঘাম, দ্রুত শ্বাস নেওয়া কিংবা বয়স অনুযায়ী ওজন না বাড়ার মতো লক্ষণ অনেক সময় সাধারণ সমস্যা মনে হতে পারে। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এগুলো জন্মগত হৃদরোগ (Congenital Heart Disease)-এর লক্ষণ হতে পারে।
শিশুর হার্টে ছিদ্র থাকলেও সবসময় একই ধরনের সমস্যা হয় না। ASD, VSD বা PDA-এর মতো কিছু ছোট ত্রুটি সময়ের সঙ্গে নিজে থেকে বন্ধ হতে পারে, আবার কিছু ক্ষেত্রে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, ওষুধ, Device Closure বা অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।
তাই শিশুর হৃদরোগের লক্ষণ দ্রুত শনাক্ত করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী Pediatric Cardiologist-এর পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জন্মের সময় শিশুর হৃদপিণ্ডের গঠন বা রক্তনালির গঠনে কোনো অস্বাভাবিকতা থাকলে তাকে Congenital Heart Disease (CHD) বা জন্মগত হৃদরোগ বলা হয়।
এটি হৃৎপিণ্ডের দেয়াল, ভালভ, বড় রক্তনালি অথবা হৃদপিণ্ডের অন্যান্য অংশকে প্রভাবিত করতে পারে।
গর্ভাবস্থায় শিশুর হৃদপিণ্ড ধীরে ধীরে তৈরি ও বিকশিত হয়। এই বিকাশের কোনো পর্যায়ে অস্বাভাবিকতা হলে জন্মগত হৃদরোগ হতে পারে।
তবে অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো কারণ চিহ্নিত করা যায় না।
না। জন্মগত হৃদরোগের ধরন ও তীব্রতা ভিন্ন হতে পারে।
কিছু ছোট ত্রুটি কোনো চিকিৎসা ছাড়াই পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, আবার কিছু জটিল হৃদরোগে জন্মের পরপরই বিশেষায়িত চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।
সব শিশুর একই ধরনের লক্ষণ থাকে না। হৃদরোগের ধরন অনুযায়ী উপসর্গ পরিবর্তিত হতে পারে।
শিশু দুধ খাওয়ার সময় বারবার বিরতি নেয়, দ্রুত শ্বাস নেয় বা অল্প দুধ খেয়েই ক্লান্ত হয়ে যেতে পারে।
বিশেষ করে দুধ খাওয়ার সময় বা কান্নার সময় দ্রুত শ্বাস নেওয়া দেখা যেতে পারে।
কিছু জন্মগত হৃদরোগে ফুসফুসে অতিরিক্ত রক্তপ্রবাহের কারণে বারবার শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ হতে পারে।
তবে বারবার নিউমোনিয়া হলেই যে হৃদরোগ আছে—এমন নয়।
বিশেষ করে দুধ খাওয়ার সময় মাথা বা শরীরে অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে।
শিশু পর্যাপ্ত দুধ খেলেও বয়স অনুযায়ী ওজন না বাড়লে হৃদরোগসহ অন্যান্য কারণ বিবেচনা করা প্রয়োজন।
ঠোঁট বা জিহ্বা নীলচে হয়ে যাওয়া রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়ার লক্ষণ হতে পারে এবং কিছু জন্মগত হৃদরোগে এটি দেখা যায়।
তবে শুধু ঠোঁটের চারপাশ সাময়িক নীলচে দেখালেই সবসময় হৃদরোগ বোঝায় না। জিহ্বা বা মুখের ভেতর নীলচে হওয়া এবং সঙ্গে শ্বাসকষ্ট থাকলে তা বেশি গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে।
হার্টে ছিদ্র বলতে সাধারণত হৃদপিণ্ডের বিভিন্ন কক্ষের মাঝের দেয়ালে অস্বাভাবিক ছিদ্র বা যোগাযোগকে বোঝানো হয়।
ASD (Atrial Septal Defect) হলো হৃদপিণ্ডের ওপরের দুই কক্ষ—Atria-এর মাঝের দেয়ালে ছিদ্র থাকা।
ছোট ASD অনেক সময় কোনো উপসর্গ তৈরি করে না। বড় হলে দীর্ঘমেয়াদে হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
VSD (Ventricular Septal Defect) হলো হৃদপিণ্ডের নিচের দুই কক্ষ—Ventricles-এর মাঝের দেয়ালে ছিদ্র থাকা।
বড় VSD থাকলে শিশুর:
দ্রুত শ্বাস নেওয়া
দুধ খেতে কষ্ট
অতিরিক্ত ঘাম
ওজন না বাড়া
ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে।
PDA (Patent Ductus Arteriosus) হলো জন্মের পর স্বাভাবিকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা এমন একটি রক্তনালি খোলা থেকে যাওয়া।
PDA ছোট হলে কোনো সমস্যা নাও হতে পারে। বড় হলে হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসে অতিরিক্ত রক্তপ্রবাহ হতে পারে।
হ্যাঁ। কিছু ছোট VSD এবং কিছু নির্দিষ্ট ধরনের ASD সময়ের সঙ্গে নিজে থেকে বন্ধ হতে পারে। PDA-ও কিছু ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে বন্ধ হতে পারে।
তবে কোন ত্রুটি নিজে থেকে বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা কতটা, তা নির্ভর করে ত্রুটির ধরন, আকার ও অবস্থানের ওপর।
যদি ছিদ্র বড় হয়, শিশুর উপসর্গ থাকে, হৃদপিণ্ডের ওপর চাপ পড়ে, ফুসফুসে অতিরিক্ত রক্তপ্রবাহ হয় অথবা ভবিষ্যতে জটিলতার ঝুঁকি থাকে, তাহলে চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে।
চিকিৎসার ধরন হতে পারে:
নিয়মিত পর্যবেক্ষণ
ওষুধ
Device Closure
Heart Surgery
কিছু জন্মগত হৃদরোগের সঙ্গে জেনেটিক বা ক্রোমোজোমজনিত পরিবর্তনের সম্পর্ক থাকতে পারে।
গর্ভাবস্থায় কিছু সংক্রমণ, নির্দিষ্ট ওষুধ বা অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি শিশুর জন্মগত হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়াতে পারে।
পরিবারে জন্মগত হৃদরোগের ইতিহাস থাকলে ঝুঁকি কিছুটা বাড়তে পারে।
বিশেষ কিছু জেনেটিক অবস্থায় জন্মানো শিশুদের মধ্যে জন্মগত হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি হতে পারে।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—অনেক শিশুর জন্মগত হৃদরোগ থাকলেও কোনো নির্দিষ্ট ঝুঁকির কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না।
চিকিৎসক শিশুর:
হৃদস্পন্দন
শ্বাস-প্রশ্বাস
রক্তচাপ
অক্সিজেনের মাত্রা
Heart Murmur
পরীক্ষা করতে পারেন।
শিশুর আঙুল বা পায়ের মাধ্যমে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা পরিমাপ করা হয়।
জন্মের পর নির্দিষ্ট কিছু শিশুর ক্ষেত্রে Pulse Oximetry Screening গুরুতর জন্মগত হৃদরোগ শনাক্ত করতে সহায়তা করতে পারে।
শিশুর হৃদপিণ্ডের গঠন ও রক্তপ্রবাহ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেতে Echocardiogram বা ECHO করা হয়।
ECG (Electrocardiogram) হৃদপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যক্রম ও হৃদস্পন্দনের ছন্দ মূল্যায়নে সাহায্য করে।
কিছু ক্ষেত্রে হৃদপিণ্ডের আকার এবং ফুসফুসের অবস্থা মূল্যায়নের জন্য Chest X-ray করা হতে পারে।
জটিল জন্মগত হৃদরোগ বা নির্দিষ্ট গঠনগত সমস্যা আরও বিস্তারিতভাবে বোঝার জন্য কিছু ক্ষেত্রে Cardiac CT বা MRI প্রয়োজন হতে পারে।
ECHO হলো আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তির মাধ্যমে হৃদপিণ্ডের ছবি ও রক্তপ্রবাহ দেখার পরীক্ষা।
শিশুর বুকের ওপর একটি বিশেষ Probe দিয়ে পরীক্ষা করা হয়।
হ্যাঁ। সাধারণ Echocardiogram-এ X-ray radiation ব্যবহার করা হয় না এবং এটি শিশুদের জন্য সাধারণত নিরাপদ।
ECHO-এর মাধ্যমে দেখা যেতে পারে:
হৃদপিণ্ডের কক্ষগুলোর গঠন
হার্টের ভালভ
হৃদপিণ্ডের দেয়ালে ছিদ্র
রক্তপ্রবাহ
হৃদপিণ্ডের পাম্প করার ক্ষমতা
কিছু জন্মগত ত্রুটি
চিকিৎসা নির্ভর করে হৃদরোগের ধরন, তীব্রতা, শিশুর বয়স এবং উপসর্গের ওপর।
না। অনেক শিশুর ক্ষেত্রে কোনো অপারেশন ছাড়াই নিয়মিত ফলো-আপ যথেষ্ট হতে পারে।
কিছু শিশুর ক্ষেত্রে হৃদপিণ্ডের ওপর চাপ কমানো, শরীরে অতিরিক্ত পানি নিয়ন্ত্রণ বা অন্যান্য উপসর্গ কমানোর জন্য ওষুধ দেওয়া হতে পারে।
নির্দিষ্ট ধরনের ASD বা PDA-এর মতো কিছু ত্রুটিতে উপযুক্ত রোগীর ক্ষেত্রে ক্যাথেটারের মাধ্যমে Device Closure করা যেতে পারে।
সব ধরনের হার্টের ছিদ্র Device Closure-এর মাধ্যমে বন্ধ করা সম্ভব নয়।
জটিল জন্মগত হৃদরোগ, বড় ত্রুটি বা এমন গঠনগত সমস্যা যা Device Closure দিয়ে ঠিক করা সম্ভব নয়—এসব ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে।
কিছু হৃদরোগ চিকিৎসা ছাড়াই পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। নিয়মিত ECHO ও অন্যান্য পরীক্ষার মাধ্যমে:
ছিদ্রের আকার
হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতা
ফুসফুসের চাপ
রোগের পরিবর্তন
পর্যবেক্ষণ করা যায়।
জন্মের সময় হৃদরোগ না থাকলেও পরবর্তী সময়ে কিছু রোগের কারণে হৃদপিণ্ড আক্রান্ত হতে পারে। এগুলোকে Acquired Heart Disease বলা হয়।
স্ট্রেপটোকক্কাল সংক্রমণের পর Rheumatic Fever হলে হৃদপিণ্ডের ভালভ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
Kawasaki Disease শিশুদের একটি প্রদাহজনিত রোগ, যা কিছু ক্ষেত্রে হৃদপিণ্ডের রক্তনালিকে প্রভাবিত করতে পারে।
হৃদপেশিতে প্রদাহ হলে তাকে Myocarditis বলা হয়। কিছু ভাইরাসসহ বিভিন্ন কারণে এটি হতে পারে।
হৃদস্পন্দনের স্বাভাবিক ছন্দে সমস্যা হলে Arrhythmia হতে পারে। এতে হৃদস্পন্দন খুব দ্রুত, ধীর বা অনিয়মিত হতে পারে।
বিশেষ করে জিহ্বা বা মুখের ভেতর নীলচে হলে এবং সঙ্গে শ্বাসকষ্ট থাকলে দ্রুত মূল্যায়ন প্রয়োজন।
দুধ খাওয়ার সময় বারবার থেমে যাওয়া, হাঁপিয়ে যাওয়া বা অতিরিক্ত ঘাম হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
বারবার দ্রুত শ্বাস নেওয়া বা শ্বাসকষ্টের কারণ নির্ণয় করা প্রয়োজন।
বয়স অনুযায়ী ওজন ও উচ্চতা না বাড়লে হৃদরোগসহ অন্যান্য কারণ পরীক্ষা করা উচিত।
শিশুর হৃদপিণ্ডে Murmur শোনা গেলেই যে হৃদরোগ আছে এমন নয়। তবে চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন হতে পারে।
অজ্ঞান হওয়ার সঙ্গে বুক ধড়ফড়, বুকব্যথা বা ব্যায়ামের সময় অজ্ঞান হওয়ার ঘটনা থাকলে দ্রুত Pediatric Cardiologist-এর পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
ঠোঁট বা জিহ্বা হঠাৎ নীল হয়ে গেলে, বিশেষ করে শ্বাসকষ্টের সঙ্গে হলে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন।
শিশু শ্বাস নিতে না পারা, বুক দেবে যাওয়া বা অতিরিক্ত দ্রুত শ্বাস নিলে দ্রুত হাসপাতালে নিন।
বিশেষ করে অজ্ঞান হওয়ার পর দ্রুত স্বাভাবিক না হলে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন।
নবজাতক বা ছোট শিশু হঠাৎ দুধ খাওয়া বন্ধ করে দিলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে।
শিশু অস্বাভাবিকভাবে নিস্তেজ হয়ে গেলে বা স্বাভাবিকভাবে সাড়া না দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।
না। ছিদ্রের ধরন ও আকারের ওপর নির্ভর করে। ছোট কিছু ছিদ্র নিজে থেকে বন্ধ হতে পারে এবং অনেক ক্ষেত্রে শুধু নিয়মিত পর্যবেক্ষণই যথেষ্ট।
কিছু ছোট VSD ও নির্দিষ্ট ধরনের ASD সময়ের সঙ্গে বন্ধ হতে পারে। তবে সব ছিদ্র নিজে থেকে বন্ধ হয় না।
হতে পারে, বিশেষ করে জিহ্বা বা মুখের ভেতরও নীলচে হলে। তবে নীলচে হওয়ার আরও কারণ থাকতে পারে। শ্বাসকষ্টের সঙ্গে নীল হয়ে গেলে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন।
দুধ খাওয়ার সময় অতিরিক্ত ঘাম, দ্রুত শ্বাস নেওয়া ও দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যাওয়ার সঙ্গে থাকলে হৃদরোগের সম্ভাবনা মূল্যায়ন করা উচিত। তবে শুধু ঘাম হলেই হৃদরোগ নিশ্চিত নয়।
কিছু জন্মগত হৃদরোগে বারবার শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ হতে পারে। তবে নিউমোনিয়ার আরও অনেক কারণ আছে। প্রয়োজন হলে Pediatrician বা Pediatric Cardiologist মূল্যায়ন করবেন।
সাধারণ ECHO পরীক্ষার সময় শিশুর সহযোগিতা ও পরীক্ষার ধরন অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। অনেক ক্ষেত্রে প্রায় ২০–৪৫ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়।
অনেক জন্মগত হৃদরোগ চিকিৎসা, Device Closure বা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সফলভাবে সংশোধন করা যায়। কিছু রোগ দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হতে পারে। ফলাফল রোগের ধরন ও তীব্রতার ওপর নির্ভর করে।
শিশুর হৃদরোগের লক্ষণ সবসময় স্পষ্ট হয় না। দুধ খাওয়ার সময় অতিরিক্ত ক্লান্তি, দ্রুত শ্বাস নেওয়া, অস্বাভাবিক ঘাম, বয়স অনুযায়ী ওজন না বাড়া, বারবার শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ বা ঠোঁট ও জিহ্বা নীলচে হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ থাকলে বিষয়টি অবহেলা করবেন না।
তবে মনে রাখতে হবে, এসব লক্ষণ থাকলেই যে শিশুর হৃদরোগ আছে তা নয়। সঠিক রোগ নির্ণয়ের জন্য শিশু বিশেষজ্ঞ বা Pediatric Cardiologist-এর মূল্যায়ন প্রয়োজন। প্রয়োজন অনুযায়ী Pulse Oximetry, ECG এবং Echocardiogram-এর মতো পরীক্ষা করা হতে পারে।
দ্রষ্টব্য: এই তথ্যগুলো জনসচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। এটি কোনো ব্যক্তিগত চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়। শিশুর শ্বাসকষ্ট, নীলচে হয়ে যাওয়া, অজ্ঞান হওয়া বা গুরুতর দুর্বলতার মতো জরুরি লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিন।
Content Source: Doctors24 Official YouTube Channel
Medical Expert Featured: ডাঃ মুহাম্মদ তানভীর ইসলাম, এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (শিশু রোগ), এমডি (শিশু কার্ডিওলজি), ফেলো মেম্বার-আমেরিকান কলেজ অব পেডিয়াট্রিশিয়ানস, সহকারী অধ্যাপক, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা।
Content Prepared & Published By: Doctors24 Editorial Team
Last Updated: 15 August 2026 • Read Editorial Policy →
Connect with experienced pediatric cardiologist near you for consultation and treatment.
40 Doctors
2 Doctors
1 Doctors
0 Doctors
0 Doctors
0 Doctors
Read More About This Topic