/
নাক ডাকার কারণ, Sleep Apnea-এর লক্ষণ, ঝুঁকি, AHI, Sleep Study, CPAP চিকিৎসা ও নাক ডাকা কমানোর কার্যকর উপায় সম্পর্কে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

ঘুমের সময় শ্বাস নেওয়ার পথে বাতাস চলাচলের কারণে নাক ও গলার নরম টিস্যু কম্পিত হলে নাক ডাকার শব্দ হতে পারে। মাঝে মাঝে নাক ডাকা খুবই সাধারণ এবং সবসময় এটি কোনো রোগের লক্ষণ নয়। তবে নিয়মিত ও জোরে নাক ডাকার সঙ্গে ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া, দম আটকে আসা বা দিনের বেলা অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব থাকলে Sleep Apnea-এর সম্ভাবনা বিবেচনা করা উচিত।
ঘুমের সময় গলার পেশি কিছুটা শিথিল হয়ে যায়। ফলে শ্বাসনালির পথ সরু হলে বাতাস চলাচলের সময় আশপাশের টিস্যু কম্পিত হয়ে নাক ডাকার শব্দ তৈরি করতে পারে।
শ্বাসনালি যত সরু হয়, বাতাসের প্রবাহে বাধা তত বাড়তে পারে। এর ফলে নাক ডাকার শব্দ জোরে হতে পারে এবং কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ঘুমের সময় শ্বাসনালি আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে Obstructive Sleep Apnea (OSA) হতে পারে।
চিৎ হয়ে ঘুমালে জিহ্বা ও গলার নরম টিস্যু পেছনের দিকে সরে গিয়ে শ্বাসনালির পথ আরও সরু করতে পারে। তাই কিছু মানুষের ক্ষেত্রে চিৎ হয়ে ঘুমালে নাক ডাকা বাড়ে।
অতিরিক্ত ওজন, বিশেষ করে ঘাড় ও গলার আশপাশে অতিরিক্ত টিস্যু থাকলে শ্বাসনালি সরু হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। স্থূলতা OSA-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ risk factor।
অ্যালকোহল গলা ও মুখের পেশি বেশি শিথিল করতে পারে, ফলে শ্বাসনালি সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। ধূমপানও upper airway-তে প্রদাহ সৃষ্টি করে ঘুমের সময় শ্বাসের সমস্যা বাড়াতে পারে।
দীর্ঘদিন নাক বন্ধ থাকা, বড় টনসিল বা অ্যাডিনয়েড শ্বাসনালির পথ সংকুচিত করতে পারে এবং নাক ডাকার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে enlarged tonsils বা adenoids OSA-এর গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে।
না। নাক ডাকা মানেই Sleep Apnea নয়।
অনেক সুস্থ মানুষও মাঝে মাঝে নাক ডাকতে পারেন। তবে খুব জোরে ও নিয়মিত নাক ডাকার সঙ্গে ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হওয়া বা হাঁসফাঁস করার মতো লক্ষণ থাকলে OSA-এর জন্য চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন হতে পারে।
ঘুমের মধ্যে কারও শ্বাস কয়েকবার বন্ধ হয়ে আবার শুরু হতে দেখা গেলে এটি Sleep Apnea-এর গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত।
বিশেষ করে পরিবারের সদস্য যদি লক্ষ্য করেন যে রোগীর নাক ডাকার পর হঠাৎ কিছুক্ষণ নীরবতা আসে এবং এরপর জোরে শ্বাস নেওয়া বা হাঁসফাঁস করার শব্দ হয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
OSA-তে ঘুমের সময় upper airway বারবার বন্ধ হয়ে গেলে বাতাসের প্রবাহ কমে বা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ায় মস্তিষ্ক সাময়িকভাবে জাগ্রত অবস্থায় আসে এবং ব্যক্তি দম নিয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়তে পারেন। এই ঘটনা রাতের মধ্যে বহুবার ঘটতে পারে।
Sleep Apnea-এর কারণে ঘুম বারবার বিঘ্নিত হওয়ায় সকালে সতেজ না লাগা, দিনের বেলা অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব, ক্লান্তি ও মনোযোগের সমস্যা হতে পারে। কিছু রোগীর সকালে মাথাব্যথাও দেখা যায়।
Sleep Apnea হলো ঘুমের সময় বারবার শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া বা শ্বাসের প্রবাহ কমে যাওয়ার একটি অবস্থা।
এর প্রধান ধরনগুলোর মধ্যে Obstructive Sleep Apnea এবং Central Sleep Apnea রয়েছে। OSA হলো সবচেয়ে সাধারণ ধরন।
OSA-তে ঘুমের সময় upper airway বারবার সংকুচিত বা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বাতাস ফুসফুসে স্বাভাবিকভাবে পৌঁছাতে পারে না।
ঘুমের সময় জিহ্বা ও গলার নরম টিস্যু শিথিল হয়ে পেছনের দিকে সরে যেতে পারে। শ্বাসনালি আগে থেকেই সরু হলে এই শিথিলতা বাতাস চলাচলে বাধা তৈরি করতে পারে।
Obstructive Sleep Apnea (OSA): শ্বাসনালি বন্ধ বা সংকুচিত হওয়ার কারণে হয় এবং এটি সবচেয়ে সাধারণ ধরন।
Central Sleep Apnea: মস্তিষ্ক থেকে শ্বাস নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত সঠিকভাবে না আসার কারণে হয়। এর কারণ OSA-এর থেকে আলাদা।
বিশেষ করে নিয়মিত ও খুব জোরে নাক ডাকা OSA-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত হতে পারে।
পরিবারের সদস্য বা সঙ্গী যদি লক্ষ্য করেন যে ঘুমের মধ্যে রোগীর শ্বাস বারবার বন্ধ হচ্ছে, চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
শ্বাস বন্ধ হওয়ার পর হঠাৎ গ্যাস্পিং বা choking-এর মতো শব্দ হতে পারে।
রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যেতে পারে, যদিও রোগী সবসময় তা মনে রাখতে পারেন না।
পর্যাপ্ত সময় ঘুমানোর পরও ক্লান্ত বা অবসন্ন লাগতে পারে।
কিছু রোগীর ঘুম থেকে ওঠার পর মাথাব্যথা হতে পারে।
দিনের বেলা অতিরিক্ত ঘুম পাওয়া Sleep Apnea-এর গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। গাড়ি চালানো বা কাজের সময় অতিরিক্ত ঘুম পাওয়া বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ।
ঘুমের মান খারাপ হওয়ায় মনোযোগ, স্মৃতি, সিদ্ধান্ত নেওয়া ও দৈনন্দিন কাজের ওপর প্রভাব পড়তে পারে।
দীর্ঘদিন ঘুমের ব্যাঘাত হলে মেজাজ ও আচরণেও পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।
স্থূলতা OSA-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ risk factor।
ঘাড়ের চারপাশে অতিরিক্ত টিস্যু থাকলে শ্বাসনালি সরু হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
বয়স বাড়ার সঙ্গে শ্বাসনালির গঠন ও পেশির কার্যকারিতায় পরিবর্তন হতে পারে, ফলে OSA-এর ঝুঁকি বাড়তে পারে।
পারিবারিক ইতিহাস ও জেনেটিক বৈশিষ্ট্য OSA-এর ঝুঁকিতে ভূমিকা রাখতে পারে।
ধূমপান upper airway-তে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে এবং অ্যালকোহল গলার পেশি শিথিল করে শ্বাসনালি সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে বড় টনসিল বা অ্যাডিনয়েড শ্বাসনালিতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
দীর্ঘদিন নাক বন্ধ থাকা বা nasal obstruction থাকলে ঘুমের সময় শ্বাস নেওয়ার সমস্যা বাড়তে পারে।
শুধু নাক ডাকার শব্দ শুনে Sleep Apnea নিশ্চিত করা যায় না। রোগীর উপসর্গ, ঝুঁকি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী Sleep Study করা হতে পারে।
Sleep Study বা polysomnography হলো ঘুমের সময় শ্বাস-প্রশ্বাস ও শরীরের বিভিন্ন physiological parameter পর্যবেক্ষণের পরীক্ষা।
এটি সাধারণত sleep center বা hospital setting-এ করা overnight test। এতে ঘুমের সময়:
শ্বাস-প্রশ্বাস
হৃদস্পন্দন
oxygen level
brain activity
শরীরের নড়াচড়া
সহ বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষণ করা হতে পারে।
কিছু নির্দিষ্ট রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শে বাড়িতে portable device ব্যবহার করে Sleep Apnea-এর পরীক্ষা করা যায়।
তবে সব রোগীর জন্য Home Sleep Apnea Test উপযুক্ত নয়। কিছু জটিল বা নির্দিষ্ট medical condition থাকলে laboratory-based polysomnography প্রয়োজন হতে পারে।
পরীক্ষার ধরন অনুযায়ী শ্বাসের প্রবাহ, breathing effort, oxygen level, heart rate এবং ঘুমের বিভিন্ন physiological signal রেকর্ড করা হতে পারে।
AHI (Apnea-Hypopnea Index) হলো ঘুমের প্রতি ঘণ্টায় গড়ে কতবার apnea বা hypopnea ঘটছে তার একটি পরিমাপ।
Sleep Apnea-এর diagnosis ও severity assessment-এ AHI গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে:
AHI 5 থেকে 14.9 events/hour হলে সাধারণত Mild OSA হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়।
AHI 15 থেকে 29.9 events/hour হলে সাধারণত Moderate OSA।
AHI 30 বা তার বেশি হলে সাধারণত Severe OSA হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
তবে শুধু AHI দেখে রোগীর চিকিৎসা নির্ধারণ করা হয় না। রোগীর উপসর্গ, oxygen level, অন্যান্য রোগ, sleep study findings এবং সামগ্রিক clinical picture বিবেচনা করা হয়। AASM-এর diagnostic guidance-এও AHI/respiratory event frequency-এর সঙ্গে clinical symptoms বিবেচনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
Sleep Apnea-এর চিকিৎসা রোগের ধরন, severity, উপসর্গ এবং ব্যক্তিগত risk factor অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।
অতিরিক্ত ওজন থাকলে স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন কমানো কিছু রোগীর ক্ষেত্রে OSA-এর তীব্রতা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
কিছু মানুষের ক্ষেত্রে চিৎ হয়ে ঘুমানোর পরিবর্তে পাশ ফিরে ঘুমানো airway খোলা রাখতে সাহায্য করতে পারে।
ধূমপান বন্ধ করা এবং বিশেষ করে ঘুমের আগে অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা উপকারী হতে পারে।
Oral Appliance হলো মুখে পরার একটি custom-fitted device, যা চোয়াল বা জিহ্বার অবস্থান এমনভাবে রাখতে সাহায্য করে যাতে ঘুমের সময় airway খোলা থাকে।
কিছু রোগীর ক্ষেত্রে, বিশেষ করে CPAP সহ্য করতে না পারলে বা নির্দিষ্ট ধরনের OSA-তে এটি চিকিৎসার বিকল্প হতে পারে।
CPAP হলো Continuous Positive Airway Pressure। এটি মাস্কের মাধ্যমে হালকা continuous air pressure দিয়ে ঘুমের সময় airway খোলা রাখতে সাহায্য করে। OSA-এর চিকিৎসায় এটি সবচেয়ে প্রচলিত এবং কার্যকর চিকিৎসাগুলোর একটি।
নির্দিষ্ট anatomical blockage থাকলে, enlarged tonsils/adenoids-এর মতো সমস্যা থাকলে বা অন্যান্য চিকিৎসা যথেষ্ট কার্যকর না হলে নির্বাচিত রোগীর ক্ষেত্রে surgery বিবেচনা করা হতে পারে।
CPAP একটি mask-এর মাধ্যমে continuous positive airway pressure দেয়, যা ঘুমের সময় upper airway খোলা রাখতে সাহায্য করে। এটি নিজে থেকে রোগীর হয়ে শ্বাস নেয় না; বরং airway collapse প্রতিরোধে চাপ সরবরাহ করে।
OSA-এর কারণে নাক ডাকা হলে CPAP অনেক রোগীর ক্ষেত্রে নাক ডাকা উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে বা বন্ধ করতে পারে। তবে সাধারণ নাক ডাকার জন্য সবার CPAP প্রয়োজন হয় না।
না। Sleep Apnea-এর severity, symptoms, health condition এবং অন্যান্য factors অনুযায়ী চিকিৎসা নির্ধারণ করা হয়। কিছু রোগীর ক্ষেত্রে oral appliance, positional therapy বা অন্য treatment ব্যবহার করা হতে পারে।
সব রোগীর ক্ষেত্রে একই উত্তর নেই। OSA অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা এবং CPAP বন্ধ করলে রোগের লক্ষণ ফিরে আসতে পারে। তবে ওজনের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন, surgery বা অন্য কার্যকর treatment-এর পর চিকিৎসক therapy পুনর্মূল্যায়ন করতে পারেন।
মাস্কে অস্বস্তি, air leak, নাক বন্ধ থাকা, dry mouth বা claustrophobia হলে নিজে থেকে CPAP বন্ধ না করে চিকিৎসক বা sleep specialist-এর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। Mask-এর ধরন, fit, humidification বা pressure setting পরিবর্তনের মাধ্যমে অনেক সমস্যা সমাধান করা যায়।
রোগীর প্রয়োজন অনুযায়ী:
Nasal Mask
Nasal Pillow
Full Face Mask
ব্যবহার করা হতে পারে। কোন mask সবচেয়ে উপযুক্ত তা চিকিৎসক বা sleep-care team-এর পরামর্শে নির্ধারণ করা উচিত।
চিকিৎসা না করা Sleep Apnea দীর্ঘমেয়াদে বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত।
Untreated OSA উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়াতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে blood pressure নিয়ন্ত্রণ কঠিন করতে পারে।
Sleep Apnea-এর সঙ্গে বিভিন্ন cardiovascular condition-এর সম্পর্ক পাওয়া গেছে।
চিকিৎসা না করা Sleep Apnea stroke-এর ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত।
Sleep Apnea-এর সঙ্গে Type 2 Diabetes-এরও সম্পর্ক রয়েছে।
অতিরিক্ত daytime sleepiness মনোযোগ ও reaction time কমাতে পারে, ফলে বিশেষ করে গাড়ি চালানো বা যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
দীর্ঘদিন ঘুমের মান খারাপ হলে concentration, memory, decision-making এবং আচরণে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বিশেষ করে নাক ডাকা যদি প্রতিদিন হয় এবং পরিবারের সদস্যদের ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়।
এটি Sleep Apnea-এর গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত।
Gasping বা choking-এর ঘটনা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
বিশেষ করে কাজ বা গাড়ি চালানোর সময় ঘুম পেলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত।
নাক ডাকার সঙ্গে নিয়মিত morning headache থাকলে Sleep Apnea মূল্যায়নের প্রয়োজন হতে পারে।
বিশেষ করে loud snoring ও daytime sleepiness থাকলে OSA-এর screening প্রয়োজন হতে পারে।
ঘুমের মান, কাজ, সম্পর্ক বা দৈনন্দিন কার্যক্ষমতায় প্রভাব পড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
অতিরিক্ত ওজন থাকলে ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যকর ওজনের দিকে আসা নাক ডাকা ও OSA-এর তীব্রতা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
কিছু মানুষের ক্ষেত্রে পাশ ফিরে ঘুমালে airway তুলনামূলক খোলা থাকে এবং নাক ডাকা কমতে পারে।
ধূমপান airway inflammation বাড়াতে পারে। তাই ধূমপান বন্ধ করা নাক ডাকা ও Sleep Apnea-এর ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।
বিশেষ করে ঘুমের আগে অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা airway collapse-এর ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
ঘুমের ওষুধ বা sedative নিজে থেকে ব্যবহার করা উচিত নয়। কিছু ওষুধ শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যাকে প্রভাবিত করতে পারে। Sleep Apnea সন্দেহ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া sleeping pills ব্যবহার করবেন না।
না। মাঝে মাঝে নাক ডাকা সাধারণ হতে পারে। তবে নিয়মিত ও জোরে নাক ডাকার সঙ্গে শ্বাস বন্ধ হওয়া বা daytime sleepiness থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
হতে পারে, কিন্তু নাক ডাকা একা Sleep Apnea প্রমাণ করে না। শ্বাস বন্ধ হওয়া, gasping এবং daytime sleepiness-এর মতো লক্ষণ থাকলে OSA-এর সম্ভাবনা বেশি গুরুত্ব দিয়ে মূল্যায়ন করা হয়।
OSA-তে ঘুমের সময় upper airway সংকুচিত বা বন্ধ হয়ে গেলে কিছু সময়ের জন্য airflow কমে বা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর শরীরের প্রতিক্রিয়ায় রোগী gasping বা choking করে জেগে উঠতে পারেন।
কারণ ও ধরন অনুযায়ী চিকিৎসায় এটি খুব ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিছু রোগীর ক্ষেত্রে ওজন কমানো বা surgery-এর মতো intervention-এর মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হতে পারে; অনেক রোগীর ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি CPAP বা অন্য treatment প্রয়োজন হয়।
সাধারণত laboratory-based overnight sleep study এক রাত ধরে করা হয়। Home Sleep Apnea Test-এর ক্ষেত্রে রোগী বাড়িতে portable device ব্যবহার করেন এবং সময়/পদ্ধতি test-এর ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।
Sleep Study ও চিকিৎসকের মূল্যায়নে OSA নির্ণয় হওয়ার পর রোগের severity ও ব্যক্তিগত পরিস্থিতি অনুযায়ী CPAP নির্ধারণ করা হতে পারে।
সব রোগীর ক্ষেত্রে নয়। তবে OSA দীর্ঘমেয়াদি হলে CPAP নিয়মিত ব্যবহার প্রয়োজন হতে পারে। ওজন বা অন্য চিকিৎসায় অবস্থার পরিবর্তন হলে চিকিৎসক পুনর্মূল্যায়ন করতে পারেন।
হ্যাঁ। অতিরিক্ত ওজন থাকলে স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন কমানো OSA-এর তীব্রতা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
প্রাথমিকভাবে Medicine Specialist, Pulmonologist, ENT Specialist বা Sleep Medicine Specialist-এর পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। প্রয়োজন অনুযায়ী sleep study এবং অন্যান্য specialist evaluation করা হয়।
নাক ডাকা সবসময় রোগের লক্ষণ নয়। কিন্তু জোরে ও নিয়মিত নাক ডাকার সঙ্গে ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া, দম আটকে যাওয়া, সকালে মাথাব্যথা বা সারাদিন অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব থাকলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়।
Sleep Apnea untreated থাকলে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, stroke ও Type 2 Diabetes-এর মতো স্বাস্থ্যঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্ক থাকতে পারে। তাই শুধু নাক ডাকার জন্য ঘরোয়া উপায় ব্যবহার করে দীর্ঘদিন অপেক্ষা না করে, Sleep Apnea-এর সন্দেহ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী Sleep Study করানো গুরুত্বপূর্ণ।
দ্রষ্টব্য: এই তথ্যগুলো জনসচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। এটি কোনো ব্যক্তিগত চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়। নিয়মিত জোরে নাক ডাকা, ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হওয়া বা অতিরিক্ত daytime sleepiness থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ভিডিওতে দেখুন: নাক ডাকার সাধারণ কারণ, কখন এটি Obstructive Sleep Apnea-এর লক্ষণ হতে পারে, Sleep Study ও AHI কী, CPAP কখন প্রয়োজন এবং চিকিৎসা না করলে কী ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি হতে পারে—এসব বিষয়ে বিশেষজ্ঞের বিস্তারিত আলোচনা।
Content Source: Doctors24 Official YouTube Channel
Medical Expert Featured: ডাঃ মোঃ মাহবুব ইসলাম, এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমআরসিপি (ইংল্যান্ড), এমডি (বক্ষব্যাধি), বক্ষব্যাধি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা।
Content Prepared & Published By: Doctors24 Editorial Team
Last Updated: 24 August 2026 • Read Editorial Policy →
Connect with experienced chest specialist near you for consultation and treatment.
Read More About This Topic