জরায়ু নিচে নেমে আসা (Uterine Prolapse): লক্ষণ, কারণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ

"জরায়ু নিচে নেমে আসা বা Uterine Prolapse হলো এমন একটি সমস্যা, যেখানে জরায়ুকে স্বাভাবিক অবস্থানে ধরে রাখা পেলভিক ফ্লোরের পেশি ও লিগামেন্ট দুর্বল হয়ে যাওয়ার কা..."
জরায়ু নিচে নেমে আসা বা Uterine Prolapse হলো এমন একটি সমস্যা, যেখানে জরায়ুকে স্বাভাবিক অবস্থানে ধরে রাখা পেলভিক ফ্লোরের পেশি ও লিগামেন্ট দুর্বল হয়ে যাওয়ার কারণে জরায়ু ধীরে ধীরে নিচের দিকে নেমে আসে। গুরুতর অবস্থায় জরায়ুর অংশ যোনিপথের মুখের কাছে বা বাইরে বের হয়ে আসতে পারে।
এটি বিশেষ করে সন্তান জন্মদানের পর এবং মেনোপজের পর বেশি দেখা যেতে পারে। তবে যে কোনো বয়সেই হতে পারে। শুরুতে উপসর্গ হালকা থাকলেও সময়ের সঙ্গে সমস্যা বাড়তে পারে। তাই লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
জরায়ু নিচে নেমে আসা কী?
স্বাভাবিক অবস্থায় জরায়ু পেলভিসের ভেতরে থাকে এবং বিভিন্ন পেশি, লিগামেন্ট ও অন্যান্য টিস্যু এটিকে ধরে রাখে।
এই সাপোর্টিং টিস্যু দুর্বল হয়ে গেলে জরায়ু ধীরে ধীরে নিচের দিকে নেমে আসে। একে Uterine Prolapse বলা হয়।
অনেক সময় শুধু জরায়ু নয়, পেলভিক অঙ্গগুলোর অন্যান্য অংশও নিচের দিকে নামতে পারে। যেমন—
মূত্রথলি নিচে নেমে আসা (Cystocele)
মলাশয়ের অংশ সামনে বা নিচের দিকে চাপ দেওয়া (Rectocele)
ছোট অন্ত্রের অংশ নিচে নেমে আসা (Enterocele)
তাই “জরায়ু নিচে নেমে আসা” বলতে সব সময় শুধু জরায়ুর সমস্যাই বোঝায় না; পেলভিক অর্গান প্রোল্যাপসের অন্য অংশও থাকতে পারে।
জরায়ু নিচে নেমে আসার কারণ কী?
পেলভিক ফ্লোরের পেশি ও সাপোর্টিং টিস্যু দুর্বল হওয়াই মূল কারণ। বিভিন্ন কারণে এই দুর্বলতা হতে পারে।
ঝুঁকি বাড়াতে পারে—
একাধিকবার সন্তান জন্মদান
স্বাভাবিক প্রসবের সময় পেলভিক ফ্লোরে বেশি চাপ পড়া
বড় শিশুর জন্ম
বয়স বাড়া
মেনোপজের পর ইস্ট্রোজেনের মাত্রা কমে যাওয়া
দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য
দীর্ঘস্থায়ী কাশি
অতিরিক্ত ওজন
নিয়মিত ভারী জিনিস তোলা
পেলভিক সার্জারির ইতিহাস
কিছু ক্ষেত্রে জন্মগতভাবে দুর্বল connective tissue
তবে একজন নারীর ক্ষেত্রে একাধিক কারণ একসঙ্গে কাজ করতে পারে।
জরায়ু নিচে নেমে আসার লক্ষণ কী?
Uterine Prolapse-এর লক্ষণ প্রোল্যাপসের মাত্রার ওপর নির্ভর করে। হালকা অবস্থায় কোনো উপসর্গ নাও থাকতে পারে।
সাধারণ লক্ষণগুলো হলো—
যোনিপথে কিছু নেমে আসছে বা বের হয়ে আসছে এমন অনুভূতি
তলপেটে বা পেলভিসে ভারী চাপ অনুভব
যোনির ভেতরে বা মুখে গুটি অনুভব করা
দীর্ঘক্ষণ দাঁড়ালে উপসর্গ বাড়া
কোমর বা নিচের পিঠে ব্যথা
যৌনমিলনের সময় অস্বস্তি বা ব্যথা
প্রস্রাবের সমস্যা
প্রস্রাব পুরোপুরি বের না হওয়ার অনুভূতি
প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারা
বারবার প্রস্রাবের বেগ
কোষ্ঠকাঠিন্য
পায়খানা করার সময় চাপ বা অসুবিধা
গুরুতর অবস্থায় জরায়ু বা অন্য পেলভিক টিস্যুর অংশ যোনির বাইরে দেখা যেতে পারে।
জরায়ু নিচে নেমে আসলে কি যোনিপথে গুটি দেখা যায়?
হ্যাঁ। প্রোল্যাপস বেশি হলে যোনির মুখে নরম বা শক্ত ধরনের একটি গুটি বা টিস্যু দেখা বা অনুভূত হতে পারে।
অনেক নারী এটিকে “মাংস বের হয়ে আসছে” বা “যোনিপথে কিছু নেমে এসেছে” বলে বর্ণনা করেন।
তবে যোনিপথে কোনো গুটি দেখা দিলে নিজে থেকে সেটিকে জরায়ু প্রোল্যাপস ধরে নেওয়া উচিত নয়। অন্যান্য কারণও থাকতে পারে। তাই গাইনি বিশেষজ্ঞের পরীক্ষা প্রয়োজন।
জরায়ু নিচে নেমে আসা কতটা গুরুতর?
প্রোল্যাপসের মাত্রা ভিন্ন হতে পারে।
সাধারণভাবে—
হালকা প্রোল্যাপস: জরায়ু সামান্য নিচে নামে এবং অনেক সময় উপসর্গ কম থাকে।
মাঝারি প্রোল্যাপস: জরায়ু যোনিপথের দিকে আরও নিচে আসে এবং চাপ বা গুটি অনুভূত হতে পারে।
গুরুতর প্রোল্যাপস: জরায়ু বা অন্যান্য পেলভিক অঙ্গ যোনির মুখে এসে যেতে পারে বা বাইরে বের হয়ে আসতে পারে।
চিকিৎসক শারীরিক পরীক্ষা করে প্রোল্যাপসের মাত্রা নির্ধারণ করেন।
কখন গাইনি ডাক্তার দেখাবেন?
নিচের যেকোনো লক্ষণ থাকলে গাইনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত—
যোনিপথে গুটি বা কিছু বের হয়ে আসা
পেলভিসে ভারী চাপ বা টান অনুভব
দীর্ঘদিনের কোমর বা তলপেটের অস্বস্তি
প্রস্রাবের সমস্যা
প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারা
পায়খানা করতে সমস্যা
যৌনমিলনে ব্যথা বা অস্বস্তি
দৈনন্দিন হাঁটা বা কাজকর্মে সমস্যা
যদি বের হয়ে আসা টিস্যুতে ঘা, রক্তপাত, তীব্র ব্যথা বা সংক্রমণের লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া উচিত।
জরায়ু নিচে নেমে আসা কীভাবে পরীক্ষা করা হয়?
Uterine Prolapse নির্ণয়ের জন্য সাধারণত বিশেষ কোনো রক্ত পরীক্ষা প্রয়োজন হয় না।
Pelvic Examination
গাইনি চিকিৎসক পেলভিক পরীক্ষা করে জরায়ু কতটা নিচে নেমেছে তা মূল্যায়ন করেন।
প্রয়োজনে রোগীকে দাঁড়ানো বা চাপ দেওয়ার মতো অবস্থায় পরীক্ষা করা হতে পারে, যাতে প্রোল্যাপসের মাত্রা ভালোভাবে বোঝা যায়।
প্রস্রাবের পরীক্ষা
প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, বারবার প্রস্রাব বা অন্য urinary symptoms থাকলে Urinalysis বা Urine Culture করা হতে পারে।
Ultrasound
সব রোগীর জন্য প্রয়োজন হয় না। অন্য কোনো পেলভিক সমস্যা সন্দেহ হলে বা উপসর্গ অনুযায়ী Pelvic Ultrasound করা হতে পারে।
জরায়ু নিচে নেমে আসার চিকিৎসা
চিকিৎসা নির্ভর করে—
প্রোল্যাপসের মাত্রা
উপসর্গের তীব্রতা
বয়স
সামগ্রিক স্বাস্থ্য
ভবিষ্যতে সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা
প্রস্রাব বা পায়খানার সমস্যা আছে কি না
এর ওপর।
উপসর্গ না থাকলে পর্যবেক্ষণ
হালকা প্রোল্যাপস এবং উপসর্গ না থাকলে সব সময় চিকিৎসা বা অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয় না। চিকিৎসক নিয়মিত পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দিতে পারেন।
Pelvic Floor Exercise
Kegel Exercise বা পেলভিক ফ্লোরের ব্যায়াম পেলভিক পেশি শক্তিশালী করতে সাহায্য করতে পারে।
বিশেষ করে হালকা প্রোল্যাপস বা ভবিষ্যতে সমস্যা কমানোর জন্য চিকিৎসক বা Pelvic Floor Physiotherapist-এর কাছ থেকে সঠিক ব্যায়ামের পদ্ধতি শেখা যেতে পারে।
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ন্ত্রণ
দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে পায়খানার সময় অতিরিক্ত চাপ দিতে হয়, যা পেলভিক ফ্লোরে চাপ বাড়াতে পারে।
তাই—
পর্যাপ্ত পানি পান
আঁশযুক্ত খাবার
নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম
এর মাধ্যমে কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ন্ত্রণ করা গুরুত্বপূর্ণ।
ওজন নিয়ন্ত্রণ
অতিরিক্ত ওজন পেলভিক ফ্লোরের ওপর চাপ বাড়াতে পারে। স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা উপকারী।
Pessary
Pessary হলো একটি বিশেষ ডিভাইস যা যোনিপথে স্থাপন করে জরায়ু ও অন্যান্য পেলভিক অঙ্গকে সাপোর্ট দেওয়া হয়।
যাদের অস্ত্রোপচার করা সম্ভব নয় বা যারা আপাতত অস্ত্রোপচার করতে চান না, তাদের ক্ষেত্রে এটি একটি বিকল্প হতে পারে।
Pessary ব্যবহারের জন্য নিয়মিত চিকিৎসকের ফলোআপ প্রয়োজন।
হরমোন চিকিৎসা
মেনোপজের পর যোনিপথের টিস্যু খুব শুষ্ক বা পাতলা হয়ে গেলে নির্দিষ্ট রোগীর ক্ষেত্রে স্থানীয় Estrogen Therapy বিবেচনা করা হতে পারে।
এটি প্রোল্যাপসকে সবসময় ঠিক করে দেয় না; তবে নির্বাচিত রোগীর ক্ষেত্রে যোনিপথের টিস্যুর স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সহায়ক হতে পারে।
অস্ত্রোপচার
প্রোল্যাপস গুরুতর হলে, উপসর্গ দৈনন্দিন জীবনকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করলে বা অন্যান্য চিকিৎসায় উপকার না হলে অস্ত্রোপচার বিবেচনা করা হতে পারে।
অস্ত্রোপচারের ধরন রোগীর অবস্থা ও ভবিষ্যৎ সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনার ওপর নির্ভর করে।
কিছু ক্ষেত্রে জরায়ু সংরক্ষণ করে প্রোল্যাপসের মেরামত করা যায়। আবার কিছু রোগীর ক্ষেত্রে Hysterectomy-সহ Pelvic Floor Repair করা হতে পারে।
জরায়ু নিচে নেমে আসা কি ব্যায়ামে ভালো হয়?
হালকা প্রোল্যাপসের ক্ষেত্রে Pelvic Floor Exercise উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে এবং পেলভিক ফ্লোরের পেশি শক্তিশালী করতে পারে।
তবে ব্যায়াম দিয়ে সব ধরনের বা গুরুতর প্রোল্যাপস সম্পূর্ণভাবে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় না।
প্রোল্যাপসের মাত্রা অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
জরায়ু নিচে নেমে আসা প্রতিরোধের উপায়
সব ক্ষেত্রে Uterine Prolapse প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। তবে ঝুঁকি কমাতে—
নিয়মিত Pelvic Floor Exercise করুন।
কোষ্ঠকাঠিন্য এড়িয়ে চলুন।
পর্যাপ্ত পানি ও আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করুন।
স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন।
দীর্ঘস্থায়ী কাশি থাকলে চিকিৎসা নিন।
নিয়মিত ভারী জিনিস তোলা এড়িয়ে চলুন।
প্রসবের পর পেলভিক ফ্লোরের যত্ন নিন।
মেনোপজের পর কোনো অস্বাভাবিক উপসর্গ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
জরায়ু নিচে নেমে আসলে কোন ডাক্তার দেখাবেন?
জরায়ু নিচে নেমে আসার জন্য প্রধানত গাইনি ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ (Gynecologist) দেখানো উচিত।
প্রয়োজনে—
Gynecologist: প্রাথমিক পরীক্ষা, রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য।
Urogynecologist: Pelvic Floor Disorder ও Uterine Prolapse-এর বিশেষায়িত চিকিৎসার জন্য, যেখানে এই বিশেষজ্ঞের সেবা পাওয়া যায়।
Pelvic Floor Physiotherapist: পেলভিক ফ্লোরের ব্যায়াম ও পুনর্বাসনের জন্য।
Urologist: প্রস্রাবের জটিল সমস্যা থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী।
প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
জরায়ু নিচে নেমে আসা কি নিজে থেকে ভালো হয়?
সাধারণত প্রোল্যাপস পুরোপুরি নিজে থেকে ঠিক হয়ে যায় না। তবে হালকা অবস্থায় উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যায়াম, Pessary বা অন্যান্য চিকিৎসা ব্যবহার করা হয়।
জরায়ু নিচে নেমে এলে কি অপারেশন করতেই হয়?
না। সব রোগীর অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হয় না। প্রোল্যাপসের মাত্রা ও উপসর্গের ওপর ভিত্তি করে ব্যায়াম, Pessary বা পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে। গুরুতর বা উপসর্গযুক্ত ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে।
জরায়ু নিচে নেমে এলে কি যৌনমিলন করা যায়?
অনেক নারী প্রোল্যাপস থাকা অবস্থায় যৌনমিলন করতে পারেন। তবে ব্যথা বা অস্বস্তি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। গুরুতর প্রোল্যাপসে ব্যক্তিভেদে পরামর্শ আলাদা হতে পারে।
জরায়ু নিচে নেমে আসলে কি প্রস্রাবের সমস্যা হয়?
হ্যাঁ। প্রোল্যাপসের সঙ্গে প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারা, বারবার প্রস্রাবের বেগ বা প্রস্রাব পুরোপুরি বের না হওয়ার অনুভূতি হতে পারে।
Kegel Exercise কি জরায়ু নিচে নেমে আসা ঠিক করতে পারে?
Kegel Exercise পেলভিক ফ্লোরের পেশি শক্তিশালী করে এবং হালকা প্রোল্যাপসের উপসর্গ কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে গুরুতর প্রোল্যাপস সম্পূর্ণভাবে ঠিক করার জন্য শুধু ব্যায়াম যথেষ্ট নাও হতে পারে।
জরায়ু নিচে নেমে আসলে কোন ডাক্তার দেখাবেন?
প্রথমে গাইনি ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ (Gynecologist) দেখানো উচিত। প্রয়োজনে Urogynecologist বা Pelvic Floor Physiotherapist-এর পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।
সঠিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
যোনিপথে কিছু নেমে আসার অনুভূতি, পেলভিসে ভারী চাপ, প্রস্রাবের সমস্যা বা যৌনমিলনে অস্বস্তি থাকলে এটিকে শুধু বয়সজনিত সমস্যা ধরে অবহেলা করবেন না। প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হলে অনেক ক্ষেত্রেই Pelvic Floor Exercise, Pessary ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
আপনার এলাকার অভিজ্ঞ গাইনি ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ (Gynecologist) খুঁজে পেতে Doctors24-এর ডাক্তার ডিরেক্টরি ব্যবহার করতে পারেন।
মেডিক্যাল ডিসক্লেইমার
এই নিবন্ধটি সাধারণ স্বাস্থ্য তথ্যের উদ্দেশ্যে তৈরি। এটি চিকিৎসকের পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যোনিপথে টিস্যু বা গুটি বের হয়ে আসা, রক্তপাত, ঘা, তীব্র ব্যথা, প্রস্রাবের গুরুতর সমস্যা বা অন্য কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে একজন যোগ্য গাইনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
Content prepared by: Doctors24 Editorial Team
Medical information is verified using registered doctor data and trusted healthcare sources
Information sources: Public records, hospital data, and provided credentials
Published At: August 18, 2026
Last updated: August 18, 2026 • Read Editorial Policy →
Find Gynecologist in Your Area
Connect with experienced gynecologist near you for consultation and treatment.





