ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে কী হয়? লক্ষণ, রক্ত পরীক্ষা, খাবার, চিকিৎসা ও কোন ডাক্তার দেখাবেন

"রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়াকে Hyperuricemia বলা হয়। ইউরিক অ্যাসিড শরীরে Purine ভাঙার পর তৈরি হওয়া একটি বর্জ্য পদার্থ, যা সাধারণত কিডনির মাধ্যমে..."
রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়াকে Hyperuricemia বলা হয়। ইউরিক অ্যাসিড শরীরে Purine ভাঙার পর তৈরি হওয়া একটি বর্জ্য পদার্থ, যা সাধারণত কিডনির মাধ্যমে প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয়ে যায়।
ইউরিক অ্যাসিড বেশি থাকলেই যে সবার গাউট (Gout) হবে, এমন নয়। অনেকের কোনো উপসর্গই থাকে না। তবে দীর্ঘদিন মাত্রা বেশি থাকলে ইউরিক অ্যাসিডের স্ফটিক জয়েন্টে জমে গাউটের তীব্র ব্যথা ও ফোলা হতে পারে। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে কিডনিতে পাথর বা কিডনির অন্যান্য সমস্যার সঙ্গেও এর সম্পর্ক থাকতে পারে।
তাই শুধু রিপোর্টে ইউরিক অ্যাসিড বেশি এসেছে বলে আতঙ্কিত না হয়ে উপসর্গ, ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা, কিডনির কার্যকারিতা এবং অন্যান্য ঝুঁকি বিবেচনা করা জরুরি।
ইউরিক অ্যাসিড কেন বেড়ে যায়?
শরীরে ইউরিক অ্যাসিড বেশি তৈরি হওয়া অথবা কিডনি পর্যাপ্ত ইউরিক অ্যাসিড বের করতে না পারার কারণে এর মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।
সাধারণ কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে—
অতিরিক্ত Purine-সমৃদ্ধ খাবার
অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা
কিডনির কার্যকারিতা কমে যাওয়া
ডিহাইড্রেশন বা শরীরে পানি কম থাকা
অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ
মিষ্টি ও Fructose-সমৃদ্ধ পানীয় বেশি খাওয়া
উচ্চ রক্তচাপ
Metabolic Syndrome
কিছু ওষুধ
পারিবারিক বা জেনেটিক প্রবণতা
কিছু রক্তের রোগ বা ক্যান্সারের চিকিৎসা
ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে কী কী লক্ষণ হয়?
ইউরিক অ্যাসিড বেশি থাকলেই সবসময় কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। অনেক মানুষ রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে প্রথম জানতে পারেন যে তাদের ইউরিক অ্যাসিড বেশি।
যখন ইউরিক অ্যাসিডের স্ফটিক জয়েন্টে জমে গাউট হয়, তখন লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
গাউটের সাধারণ লক্ষণ
হঠাৎ তীব্র জয়েন্টের ব্যথা
আক্রান্ত জয়েন্ট ফুলে যাওয়া
জয়েন্ট লাল ও গরম হয়ে যাওয়া
স্পর্শ করলে তীব্র ব্যথা
রাতে হঠাৎ ব্যথা শুরু হওয়া
সাধারণত পায়ের বুড়ো আঙুলে বেশি আক্রান্ত হওয়া
গোড়ালি, হাঁটু, কবজি বা অন্যান্য জয়েন্টেও ব্যথা হতে পারে
একবার গাউটের আক্রমণ হলে কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে উপসর্গ কমতে পারে, তবে চিকিৎসা না করলে ভবিষ্যতে আবার আক্রমণ হতে পারে।
ইউরিক অ্যাসিড ও গাউট কি একই জিনিস?
না।
Hyperuricemia হলো রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়া।
অন্যদিকে, Gout হলো ইউরিক অ্যাসিডের স্ফটিক জয়েন্ট বা আশপাশের টিস্যুতে জমে প্রদাহ সৃষ্টি করা।
অর্থাৎ ইউরিক অ্যাসিড বেশি থাকা গাউটের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি, কিন্তু ইউরিক অ্যাসিড বেশি থাকলেই গাউট হয়েছে—এমন নয়।
ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে কিডনির কী হতে পারে?
দীর্ঘদিন ইউরিক অ্যাসিড বেশি থাকলে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে—
ইউরিক অ্যাসিডের কিডনি পাথর
কিডনির কার্যকারিতার সমস্যা
গাউটের সঙ্গে সম্পর্কিত কিডনি জটিলতা
হতে পারে।
তবে ইউরিক অ্যাসিড বেশি হওয়া এবং কিডনি রোগের মধ্যে সম্পর্ক জটিল; শুধু ইউরিক অ্যাসিডের রিপোর্ট দেখে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
ইউরিক অ্যাসিডের স্বাভাবিক মাত্রা কত?
রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের Reference Range ল্যাবরেটরি, বয়স ও লিঙ্গ অনুযায়ী কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। তাই রিপোর্টে দেওয়া Reference Range অনুসরণ করা উচিত।
গাউটের রোগীর ক্ষেত্রে শুধু “স্বাভাবিক সীমার মধ্যে আছে কি না” দেখাই যথেষ্ট নয়। চিকিৎসক রোগীর গাউটের ইতিহাস ও চিকিৎসার লক্ষ্য অনুযায়ী ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা মূল্যায়ন করেন।
ইউরিক অ্যাসিড পরীক্ষা কীভাবে করা হয়?
Serum Uric Acid
রক্তের নমুনা নিয়ে Serum Uric Acid পরীক্ষা করা হয়।
এটি রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা জানায়।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—
শুধু Serum Uric Acid বেশি হলেই গাউট নিশ্চিত করা যায় না।
আবার গাউটের তীব্র আক্রমণের সময় ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কখনো স্বাভাবিকও থাকতে পারে। তাই প্রয়োজনে চিকিৎসক পরবর্তীতে আবার পরীক্ষা করতে পারেন।
ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে আর কী পরীক্ষা লাগতে পারে?
রোগীর উপসর্গ ও ঝুঁকি অনুযায়ী চিকিৎসক আরও পরীক্ষা দিতে পারেন।
Kidney Function Test
Serum Creatinine
eGFR
প্রয়োজনে Urine Test
কিডনির কার্যকারিতা মূল্যায়নে করা হয়।
Blood Sugar ও HbA1c
ডায়াবেটিস বা Metabolic Syndrome-এর ঝুঁকি মূল্যায়নে করা হতে পারে।
Lipid Profile
কোলেস্টেরল ও Triglyceride-এর মাত্রা মূল্যায়ন করা হয়।
Joint Fluid Analysis
গাউটের diagnosis নিয়ে সন্দেহ থাকলে আক্রান্ত জয়েন্ট থেকে তরল নিয়ে Urate Crystal পরীক্ষা করা যেতে পারে।
এটি গাউট নিশ্চিত করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পরীক্ষাগুলোর একটি।
X-ray বা Ultrasound
দীর্ঘদিনের গাউট বা জয়েন্টের ক্ষতি মূল্যায়নে প্রয়োজনে X-ray বা Ultrasound করা হতে পারে।
ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে কী খাবেন?
খাদ্যাভ্যাস ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
যেসব খাবার বেশি খাওয়া উচিত
পর্যাপ্ত পানি
শাকসবজি
ফলমূল পরিমিত পরিমাণে
Whole grains
কম চর্বিযুক্ত দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার
স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাবার
পর্যাপ্ত প্রোটিনের জন্য ডিম ও কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার
সব ধরনের Purine-সমৃদ্ধ উদ্ভিজ্জ খাবার সম্পূর্ণ বাদ দেওয়ার প্রয়োজন হয় না।
ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে কোন খাবার কমাবেন?
বিশেষ করে নিচের খাবার ও পানীয় সীমিত করা উপকারী হতে পারে—
অর্গান মিট
যেমন—
কলিজা
কিডনি
মগজ
অন্যান্য অঙ্গের মাংস
এগুলোতে Purine বেশি থাকে।
কিছু সামুদ্রিক খাবার
যেমন—
Sardine
Anchovy
কিছু Shellfish
অতিরিক্ত পরিমাণে না খাওয়াই ভালো।
লাল মাংস
গরু, খাসি বা অন্যান্য লাল মাংসের অতিরিক্ত গ্রহণ কমানো উপকারী হতে পারে।
অ্যালকোহল
বিশেষ করে Beer ও অতিরিক্ত অ্যালকোহল গাউটের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
মিষ্টি পানীয়
Sugar-sweetened soft drinks এবং Fructose-সমৃদ্ধ পানীয় ইউরিক অ্যাসিড বাড়াতে পারে।
দুধ কি ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায়?
সাধারণভাবে কম চর্বিযুক্ত দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার গাউটের ঝুঁকি বাড়ায় না এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে।
তাই ইউরিক অ্যাসিড বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দুধ সম্পূর্ণ বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
ডিম কি খাওয়া যাবে?
সাধারণত ডিমকে গাউটের জন্য উচ্চ-Purine খাবার হিসেবে ধরা হয় না। সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে ডিম খাওয়া যেতে পারে, তবে আপনার সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস ও অন্যান্য রোগ অনুযায়ী পরিমাণ নির্ধারণ করা ভালো।
ইউরিক অ্যাসিড কমাতে কত পানি খাবেন?
পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি প্রস্রাবের মাধ্যমে ইউরিক অ্যাসিড বের হতে সাহায্য করে এবং কিছু ক্ষেত্রে কিডনি পাথরের ঝুঁকি কমাতেও সহায়তা করতে পারে।
তবে সবার জন্য একই পরিমাণ পানি প্রযোজ্য নয়।
কিডনি, হার্ট বা অন্য কোনো রোগের কারণে পানি সীমিত করার নির্দেশ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করতে হবে।
ইউরিক অ্যাসিডের চিকিৎসা
চিকিৎসা নির্ভর করে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা, গাউটের ইতিহাস, কিডনির অবস্থা এবং অন্যান্য ঝুঁকির ওপর।
শুধু ইউরিক অ্যাসিড বেশি কিন্তু কোনো গাউট নেই
অনেক ক্ষেত্রে শুধু রক্তে ইউরিক অ্যাসিড বেশি থাকলেই ওষুধ শুরু করা হয় না।
চিকিৎসক—
খাদ্যাভ্যাস
ওজন
পানি পান
অ্যালকোহল গ্রহণ
কিডনির কার্যকারিতা
অন্যান্য রোগ
ভবিষ্যৎ গাউটের ঝুঁকি
বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেন।
গাউটের তীব্র ব্যথা হলে
Acute Gout Attack-এর সময় চিকিৎসক ব্যথা ও প্রদাহ কমানোর জন্য উপযুক্ত ওষুধ দিতে পারেন।
কোন ওষুধ ব্যবহার করা হবে তা কিডনির কার্যকারিতা, অন্যান্য রোগ ও বর্তমানে ব্যবহৃত ওষুধের ওপর নির্ভর করে।
ইউরিক অ্যাসিড কমানোর দীর্ঘমেয়াদি ওষুধ
বারবার গাউটের আক্রমণ, Tophi, নির্দিষ্ট কিডনি সমস্যা বা অন্যান্য উপযুক্ত পরিস্থিতিতে চিকিৎসক Urate-Lowering Therapy দিতে পারেন।
এর মধ্যে Allopurinol বা Febuxostat-এর মতো ওষুধ ব্যবহার করা হতে পারে।
নিজে থেকে এসব ওষুধ শুরু বা বন্ধ করা উচিত নয়।
ইউরিক অ্যাসিড কমানোর ওষুধ কি আজীবন খেতে হয়?
সবার ক্ষেত্রে নয়। তবে যাদের বারবার গাউট হয় বা দীর্ঘমেয়াদি Urate-Lowering Therapy-এর প্রয়োজন রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের লক্ষ্য অনুযায়ী দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা লাগতে পারে।
ওষুধ বন্ধ বা ডোজ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হওয়া উচিত।
ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে কী করবেন?
পর্যাপ্ত পানি পান করুন, যদি পানি সীমিত করার চিকিৎসাগত কারণ না থাকে।
স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন।
অতিরিক্ত লাল মাংস ও অর্গান মিট কমান।
Beer ও অতিরিক্ত অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন।
মিষ্টি ও Sugar-sweetened পানীয় কমান।
নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম করুন।
গাউটের ওষুধ থাকলে চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী গ্রহণ করুন।
শুধু রিপোর্ট দেখে নিজে থেকে ইউরিক অ্যাসিডের ওষুধ শুরু করবেন না।
কখন ডাক্তার দেখাবেন?
নিচের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত—
রক্তে ইউরিক অ্যাসিড বারবার বেশি আসছে
প্রথমবার হঠাৎ তীব্র জয়েন্টের ব্যথা হয়েছে
পায়ের বুড়ো আঙুল ফুলে লাল ও গরম হয়ে গেছে
বারবার একই ধরনের জয়েন্টের ব্যথা হচ্ছে
কিডনিতে পাথরের ইতিহাস আছে
কিডনির কার্যকারিতা কম
গাউটের কারণে জয়েন্টে শক্ত গুটি (Tophi) তৈরি হয়েছে
ইউরিক অ্যাসিড কমানোর ওষুধ শুরু করার প্রয়োজন হতে পারে বলে মনে হচ্ছে
ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে কোন ডাক্তার দেখাবেন?
প্রথমে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ (Internal Medicine Specialist) দেখানো যেতে পারে।
গাউট বা দীর্ঘমেয়াদি জয়েন্টের প্রদাহের ক্ষেত্রে রিউমাটোলজিস্ট (Rheumatologist) বিশেষভাবে উপযুক্ত।
প্রয়োজনে—
Rheumatologist: গাউট, বারবার জয়েন্টের প্রদাহ ও Tophi-এর চিকিৎসায়
Medicine Specialist: প্রাথমিক মূল্যায়ন ও সাধারণ চিকিৎসায়
Nephrologist: কিডনির রোগ বা জটিলতা থাকলে
Urologist: কিডনিতে পাথর বা মূত্রনালির সমস্যায়
প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলেই কি গাউট হয়?
না। ইউরিক অ্যাসিড বেশি থাকা গাউটের ঝুঁকি বাড়ায়, কিন্তু Hyperuricemia থাকা প্রত্যেক ব্যক্তির গাউট হয় না।
ইউরিক অ্যাসিড বেশি হলে কী কী লক্ষণ হয়?
অনেকের কোনো উপসর্গ থাকে না। গাউট হলে সাধারণত হঠাৎ তীব্র জয়েন্টের ব্যথা, ফোলা, লালভাব ও গরম হয়ে যাওয়া দেখা যায়।
ইউরিক অ্যাসিডের জন্য কোন রক্ত পরীক্ষা করবেন?
Serum Uric Acid পরীক্ষা করা হয়। তবে গাউট নির্ণয়ের জন্য শুধু এই পরীক্ষা যথেষ্ট নয়।
ইউরিক অ্যাসিড কত হলে ওষুধ খেতে হবে?
একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার ভিত্তিতে সবার জন্য ওষুধ শুরু করা হয় না। গাউটের আক্রমণ, কিডনির অবস্থা, Tophi এবং অন্যান্য ঝুঁকি বিবেচনা করে চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেন।
ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে কি দুধ খাওয়া যাবে?
সাধারণত কম চর্বিযুক্ত দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খাওয়া যেতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দুধ সম্পূর্ণ বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে কোন খাবার এড়াবেন?
অর্গান মিট, অতিরিক্ত লাল মাংস, কিছু সামুদ্রিক খাবার, Beer/অ্যালকোহল এবং Fructose-সমৃদ্ধ মিষ্টি পানীয় সীমিত করা উপকারী।
ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে কোন ডাক্তার দেখাবেন?
গাউট বা বারবার জয়েন্টের প্রদাহ থাকলে রিউমাটোলজিস্ট দেখানো সবচেয়ে উপযুক্ত। প্রাথমিক মূল্যায়নের জন্য মেডিসিন বিশেষজ্ঞও দেখাতে পারেন।
সঠিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
রক্তে ইউরিক অ্যাসিড বেশি পাওয়া মানেই গাউট হয়েছে—এমন নয়। তবে বারবার ইউরিক অ্যাসিড বেশি থাকা, তীব্র জয়েন্টের ব্যথা, কিডনিতে পাথর বা কিডনির সমস্যা থাকলে কারণ নির্ণয় ও উপযুক্ত চিকিৎসা গুরুত্বপূর্ণ।
শুধু খাবার বাদ দেওয়া বা নিজে থেকে Allopurinol/Febuxostat শুরু করার পরিবর্তে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ইউরিক অ্যাসিড, কিডনির কার্যকারিতা ও অন্যান্য ঝুঁকি মূল্যায়ন করুন।
আপনার এলাকার অভিজ্ঞ রিউমাটোলজিস্ট, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ বা নেফ্রোলজিস্ট খুঁজে পেতে Doctors24-এর ডাক্তার ডিরেক্টরি ব্যবহার করতে পারেন।
মেডিক্যাল ডিসক্লেইমার
এই নিবন্ধটি সাধারণ স্বাস্থ্য তথ্যের উদ্দেশ্যে তৈরি। এটি চিকিৎসকের পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। হঠাৎ তীব্র জয়েন্টের ব্যথা, জয়েন্ট ফুলে যাওয়া, জ্বর, প্রস্রাবে তীব্র ব্যথা বা কিডনির পাথরের মতো উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। নিজে থেকে ইউরিক অ্যাসিড কমানোর ওষুধ শুরু বা বন্ধ করবেন না।
Content prepared by: Doctors24 Editorial Team
Medical information is verified using registered doctor data and trusted healthcare sources
Information sources: Public records, hospital data, and provided credentials
Published At: August 18, 2026
Last updated: August 18, 2026 • Read Editorial Policy →
Find Rheumatologist in Your Area
Connect with experienced rheumatologist near you for consultation and treatment.
Related Rheumatologist Articles
View all →
গোড়ালিতে ব্যথা: ইউরিক অ্যাসিড, গাউট নাকি অন্য সমস্যা? পরীক্ষা, চিকিৎসা ও কোন ডাক্তার দেখাবেন

বাতরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার (রিউমাটোলজিস্ট): কোন রোগের চিকিৎসা করেন, কখন দেখাবেন ও কীভাবে সঠিক ডাক্তার নির্বাচন করবেন



