ইসিজি (ECG): কেন করা হয়, রিপোর্ট কী বোঝায় ও কখন জরুরি

Doctors24 Editorial TeamAugust 20, 2026
ecg-guide-reading-heart-signals
Key Overview

"ইসিজি বা ECG (Electrocardiogram) হলো হৃদ্‌যন্ত্রের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ রেকর্ড করার একটি দ্রুত, সহজ এবং সাধারণ পরীক্ষা। বুক, হাত ও পায়ে ছোট ইলেকট্রোড লাগিয়ে হৃ..."

ইসিজি বা ECG (Electrocardiogram) হলো হৃদ্‌যন্ত্রের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ রেকর্ড করার একটি দ্রুত, সহজ এবং সাধারণ পরীক্ষা। বুক, হাত ও পায়ে ছোট ইলেকট্রোড লাগিয়ে হৃদ্‌যন্ত্রের বৈদ্যুতিক সংকেত রেকর্ড করা হয়।

বুকে ব্যথা, বুক ধড়ফড়, শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গের কারণ খুঁজতে ECG করা হতে পারে। এটি হৃদস্পন্দনের গতি ও ছন্দের সমস্যা, কিছু ধরনের হার্ট অ্যাটাকের পরিবর্তন এবং অন্যান্য হৃদ্‌যন্ত্রের অস্বাভাবিকতা শনাক্ত করতে সাহায্য করে।

তবে ECG স্বাভাবিক হলেই সব ধরনের হৃদ্‌রোগ নেই—এমনটি নিশ্চিত করা যায় না। রোগীর উপসর্গ ও অন্যান্য পরীক্ষার সঙ্গে মিলিয়ে ECG রিপোর্ট ব্যাখ্যা করতে হয়।

ECG কী?

ECG-এর পূর্ণরূপ Electrocardiogram। এটি হৃদ্‌যন্ত্রের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপের একটি গ্রাফ বা ট্রেস তৈরি করে।

হৃদ্‌যন্ত্র প্রতিবার স্পন্দিত হওয়ার সময় একটি বৈদ্যুতিক সংকেত তৈরি করে। ECG সেই সংকেতের—

  • গতি

  • ছন্দ

  • বৈদ্যুতিক কার্যকলাপের ধরন

সম্পর্কে তথ্য দেয়।

ECG সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যে করা যায় এবং এতে শরীরে কোনো বিদ্যুৎ প্রবেশ করানো হয় না।

ECG কেন করা হয়?

বিভিন্ন উপসর্গ ও পরিস্থিতিতে চিকিৎসক ECG করতে পারেন।

বুকের ব্যথা হলে

বুকে চাপ, ব্যথা বা অস্বস্তি থাকলে ECG করা হতে পারে, বিশেষ করে হার্ট অ্যাটাক বা হৃদ্‌যন্ত্রে রক্ত সরবরাহের সমস্যার সন্দেহ থাকলে।

বুক ধড়ফড় হলে

হৃদস্পন্দন খুব দ্রুত, ধীর বা অনিয়মিত মনে হলে ECG করে Arrhythmia শনাক্ত করার চেষ্টা করা হয়।

শ্বাসকষ্ট হলে

শ্বাসকষ্টের সম্ভাব্য কারণ মূল্যায়নের অংশ হিসেবে ECG করা হতে পারে।

মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে গেলে

কিছু হৃদ্‌যন্ত্রের Rhythm সমস্যা মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হওয়ার কারণ হতে পারে। এ ধরনের ক্ষেত্রে ECG গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি থাকলে

কিছু রোগীর সামগ্রিক হৃদ্‌যন্ত্রের মূল্যায়নের অংশ হিসেবে ECG করা হতে পারে।

অপারেশনের আগে

বয়স, রোগের ইতিহাস ও অপারেশনের ধরন অনুযায়ী কিছু রোগীর Pre-operative assessment-এর অংশ হিসেবে ECG করা হতে পারে।

কিছু ওষুধ ব্যবহারের আগে বা পরে

কিছু ওষুধ হৃদস্পন্দন বা হৃদ্‌যন্ত্রের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপকে প্রভাবিত করতে পারে। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ECG পর্যবেক্ষণ করা হতে পারে।

ECG-তে কোন কোন সমস্যা ধরা পড়তে পারে?

ECG বিভিন্ন ধরনের হৃদ্‌যন্ত্রের বৈদ্যুতিক অস্বাভাবিকতা শনাক্ত করতে সাহায্য করতে পারে।

যেমন—

  • হৃদস্পন্দন খুব দ্রুত হওয়া (Tachycardia)

  • হৃদস্পন্দন খুব ধীর হওয়া (Bradycardia)

  • অনিয়মিত হৃদস্পন্দন (Arrhythmia)

  • Atrial Fibrillation-এর মতো কিছু Rhythm সমস্যা

  • কিছু ধরনের Heart Block

  • হৃদ্‌যন্ত্রে রক্ত সরবরাহ কমে যাওয়ার ইঙ্গিত

  • কিছু ক্ষেত্রে আগের বা চলমান Heart Attack-এর পরিবর্তন

  • কিছু Electolyte imbalance-এর পরোক্ষ পরিবর্তন

  • কিছু ক্ষেত্রে হৃদ্‌যন্ত্রের বৈদ্যুতিক পরিবহন ব্যবস্থার অস্বাভাবিকতা

তবে ECG-এর মাধ্যমে সব ধরনের হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করা যায় না।

ECG রিপোর্ট কীভাবে বোঝা যায়?

ECG রিপোর্টে বিভিন্ন শব্দ ও সংখ্যা থাকতে পারে। এগুলো দেখে অনেক রোগী উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।

চিকিৎসক সাধারণত নিচের বিষয়গুলো বিবেচনা করেন—

Heart Rate

এটি প্রতি মিনিটে হৃদ্‌যন্ত্র কতবার স্পন্দিত হচ্ছে তা বোঝায়।

প্রাপ্তবয়স্কদের বিশ্রাম অবস্থায় সাধারণ Heart Rate প্রায় ৬০–১০০ বিট/মিনিট হতে পারে। তবে বয়স, শারীরিক অবস্থা, ওষুধ এবং পরিস্থিতির ওপর এটি পরিবর্তিত হতে পারে।

Heart Rhythm

হৃদ্‌স্পন্দন নিয়মিত নাকি অনিয়মিত তা দেখা হয়।

যেমন রিপোর্টে Sinus Rhythm লেখা থাকতে পারে। এটি সাধারণত হৃদ্‌যন্ত্রের স্বাভাবিক বৈদ্যুতিক উৎস থেকে ছন্দ শুরু হওয়াকে বোঝায়।

PR Interval

হৃদ্‌যন্ত্রের ওপরের কক্ষ থেকে নিচের কক্ষে বৈদ্যুতিক সংকেত পৌঁছাতে কত সময় লাগে, তার একটি পরিমাপ।

QRS Complex

হৃদ্‌যন্ত্রের নিচের কক্ষ বা Ventricles-এর বৈদ্যুতিক সক্রিয়তা সম্পর্কে তথ্য দেয়।

QT / QTc Interval

হৃদ্‌যন্ত্রের বৈদ্যুতিক পুনরুদ্ধার বা Repolarization-এর সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিমাপ। QTc বেশি বা কম হলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন হতে পারে।

ST Segment

ST segment-এর পরিবর্তন কিছু ক্ষেত্রে হৃদ্‌যন্ত্রের পেশিতে রক্ত সরবরাহের সমস্যা বা অন্যান্য অবস্থার ইঙ্গিত দিতে পারে।

তবে শুধু একটি ECG-এর একটি শব্দ দেখে নিজে রোগ নির্ণয় করা উচিত নয়। রিপোর্টটি রোগীর উপসর্গ, শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য পরীক্ষার সঙ্গে মিলিয়ে চিকিৎসক ব্যাখ্যা করেন।

ECG রিপোর্টে “Normal Sinus Rhythm” মানে কী?

Normal Sinus Rhythm সাধারণত বোঝায় যে হৃদ্‌যন্ত্রের বৈদ্যুতিক সংকেত স্বাভাবিক Sinus Node থেকে শুরু হচ্ছে এবং ছন্দটি স্বাভাবিক ধরনের।

তবে এর অর্থ এই নয় যে হৃদ্‌যন্ত্রের সব ধরনের সমস্যা নেই। কিছু Structural Heart Disease বা intermittent Rhythm সমস্যা একটি সাধারণ ECG-তে ধরা নাও পড়তে পারে।

ECG রিপোর্টে “Abnormal ECG” মানে কি হার্টের বড় সমস্যা?

অবশ্যই নয়।

ECG মেশিনের Automated Interpretation-এ “Abnormal ECG” লেখা থাকতে পারে। কিন্তু মেশিনের এই মন্তব্য সবসময় চূড়ান্ত রোগ নির্ণয় নয়।

চিকিৎসক ECG-এর ট্রেস, রোগীর উপসর্গ ও পূর্বের রিপোর্ট দেখে সিদ্ধান্ত নেন।

ECG কি হার্ট অ্যাটাক শনাক্ত করতে পারে?

হ্যাঁ, ECG কিছু ধরনের Acute Myocardial Infarction বা Heart Attack-এর গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক পরিবর্তন শনাক্ত করতে পারে।

তবে সব হার্ট অ্যাটাক একটি ECG-তে একইভাবে ধরা পড়ে না। বুকের ব্যথা ও হার্ট অ্যাটাকের সন্দেহ থাকলে চিকিৎসক প্রয়োজনে ECG-এর পাশাপাশি Cardiac Troponin এবং অন্যান্য পরীক্ষা করতে পারেন।

ECG কি সব ধরনের হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করতে পারে?

না।

ECG মূলত হৃদ্‌যন্ত্রের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ সম্পর্কে তথ্য দেয়। এটি সব ধরনের—

  • হার্টের ভালভের সমস্যা

  • হার্টের পাম্পিং ক্ষমতার সমস্যা

  • জন্মগত হৃদ্‌রোগ

  • করোনারি ধমনির সব ধরনের সমস্যা

নির্ণয় করতে পারে না।

প্রয়োজনে চিকিৎসক Echocardiogram, Holter Monitor, Stress Test, Cardiac Troponin, Coronary CT বা অন্যান্য পরীক্ষা দিতে পারেন।

ECG এবং Echocardiogram-এর মধ্যে পার্থক্য কী?

দুটি পরীক্ষা সম্পূর্ণ আলাদা।

ECG → হৃদ্‌যন্ত্রের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ ও Rhythm পরীক্ষা করে।

Echocardiogram (Echo) → Ultrasound ব্যবহার করে হৃদ্‌যন্ত্রের গঠন, ভালভ এবং পাম্পিং কার্যক্ষমতা দেখতে সাহায্য করে।

অনেক ক্ষেত্রে রোগীর সমস্যার ধরন অনুযায়ী দুটি পরীক্ষাই প্রয়োজন হতে পারে।

ECG করার আগে কী প্রস্তুতি নিতে হয়?

সাধারণ ECG-এর জন্য বিশেষ প্রস্তুতি সাধারণত লাগে না।

তবে—

  • বুকের ত্বক পরিষ্কার রাখা ভালো।

  • এমন পোশাক পরুন যাতে বুকের অংশে সহজে ইলেকট্রোড লাগানো যায়।

  • পরীক্ষার আগে কয়েক মিনিট শান্তভাবে বিশ্রাম নিতে বলা হতে পারে।

  • নিয়মিত কোনো ওষুধ ব্যবহার করলে চিকিৎসককে জানান।

ECG সাধারণত ব্যথাহীন পরীক্ষা।

ECG করতে কত সময় লাগে?

সাধারণ Resting ECG সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যেই করা যায়। তবে পুরো প্রক্রিয়ায় প্রস্তুতি ও ইলেকট্রোড লাগানোর জন্য কিছু অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে।

ECG কখন জরুরি?

ECG করানোর জন্য অপেক্ষা না করে জরুরি চিকিৎসা নিন যদি নিচের কোনো লক্ষণ থাকে—

  • হঠাৎ বা তীব্র বুকের ব্যথা

  • বুকের চাপ বা ভারী লাগা

  • ব্যথা হাত, কাঁধ, পিঠ, ঘাড় বা চোয়ালে ছড়িয়ে পড়া

  • শ্বাসকষ্ট

  • ঠান্ডা ঘাম

  • বমি বমি ভাব বা বমি

  • হঠাৎ মাথা ঘোরা

  • অজ্ঞান হয়ে যাওয়া

  • দ্রুত বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের সঙ্গে দুর্বলতা বা শ্বাসকষ্ট

বিশেষ করে বুকের ব্যথা কয়েক মিনিটের বেশি স্থায়ী হলে বা বিশ্রামেও না কমলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বিবেচনা করে জরুরি চিকিৎসা নেওয়া উচিত

ECG রিপোর্ট অস্বাভাবিক হলে কী করবেন?

ECG রিপোর্টে Abnormal, ST-T Change, Arrhythmia, QT Prolongation বা অন্য কোনো অস্বাভাবিক মন্তব্য থাকলে নিজে থেকে আতঙ্কিত হওয়া উচিত নয়।

প্রথমে একজন চিকিৎসক বা কার্ডিওলজিস্ট রিপোর্টটি মূল্যায়ন করবেন।

প্রয়োজনে চিকিৎসক—

  • পুনরায় ECG

  • Echocardiogram

  • Holter Monitoring

  • Troponin

  • Blood Test

  • Stress Test

  • Coronary CT

সহ অন্যান্য পরীক্ষা দিতে পারেন।

ECG করার জন্য কোন ডাক্তার দেখাবেন?

বুকের ব্যথা, বুক ধড়ফড়, শ্বাসকষ্ট বা ECG রিপোর্টের অস্বাভাবিকতা থাকলে কার্ডিওলজিস্ট (Cardiologist) দেখানো যেতে পারে।

প্রয়োজনে—

  • কার্ডিওলজিস্ট: হৃদ্‌যন্ত্রের রোগ ও ECG অস্বাভাবিকতার মূল্যায়নের জন্য।

  • মেডিসিন বিশেষজ্ঞ: প্রাথমিক মূল্যায়ন ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যার সমন্বিত ব্যবস্থাপনার জন্য।

  • ইমার্জেন্সি চিকিৎসক: তীব্র বুকের ব্যথা বা জরুরি লক্ষণ থাকলে।

প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

ECG কেন করা হয়?

হৃদ্‌যন্ত্রের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ, Heart Rate ও Rhythm পরীক্ষা করতে এবং কিছু ধরনের হৃদ্‌রোগ বা হার্ট অ্যাটাকের পরিবর্তন শনাক্ত করতে ECG করা হয়।

ECG কি ব্যথা করে?

না। সাধারণ ECG একটি দ্রুত ও সাধারণত ব্যথাহীন পরীক্ষা।

ECG রিপোর্টে Normal Sinus Rhythm মানে কী?

এর অর্থ হৃদ্‌যন্ত্রের বৈদ্যুতিক সংকেত স্বাভাবিক Sinus Node থেকে শুরু হচ্ছে এবং Rhythm স্বাভাবিক ধরনের। তবে এতে সব ধরনের হৃদ্‌রোগ সম্পূর্ণভাবে বাদ যায় না।

ECG রিপোর্টে Abnormal ECG লেখা থাকলে কি হার্টের রোগ হয়েছে?

অবশ্যই নয়। ECG মেশিনের Automated Interpretation সবসময় চূড়ান্ত রোগ নির্ণয় নয়। চিকিৎসক ECG ট্রেস ও রোগীর উপসর্গ মিলিয়ে রিপোর্ট ব্যাখ্যা করেন।

ECG কি হার্ট অ্যাটাক শনাক্ত করতে পারে?

কিছু ধরনের হার্ট অ্যাটাক ECG-তে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন তৈরি করে এবং ECG দ্রুত মূল্যায়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে প্রয়োজনে Troponin ও অন্যান্য পরীক্ষা করা হয়।

ECG নাকি Echo—কোনটি ভালো?

দুটি পরীক্ষার উদ্দেশ্য আলাদা। ECG বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ ও Rhythm দেখে, আর Echo হৃদ্‌যন্ত্রের গঠন ও পাম্পিং ক্ষমতা মূল্যায়নে সাহায্য করে।

কখন ECG জরুরি?

বুকের তীব্র ব্যথা, বুকের চাপ, শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডা ঘাম, অজ্ঞান হওয়া বা ব্যথা হাত/চোয়াল/পিঠে ছড়িয়ে পড়লে ECG করানোর জন্য অপেক্ষা না করে জরুরি চিকিৎসা নিন।

সঠিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

ECG একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সহজ পরীক্ষা হলেও শুধু রিপোর্টের একটি শব্দ বা সংখ্যা দেখে নিজে রোগ নির্ণয় করা উচিত নয়। রোগীর উপসর্গ, ECG এবং প্রয়োজনে অন্যান্য পরীক্ষার ফল একসঙ্গে মূল্যায়ন করেই হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যা নির্ণয় করা হয়।

আপনার এলাকার অভিজ্ঞ কার্ডিওলজিস্ট বা মেডিসিন বিশেষজ্ঞ খুঁজে পেতে Doctors24-এর ডাক্তার ডিরেক্টরি ব্যবহার করতে পারেন।

মেডিক্যাল ডিসক্লেইমার

এই নিবন্ধটি সাধারণ স্বাস্থ্য তথ্যের উদ্দেশ্যে তৈরি। এটি চিকিৎসকের পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। তীব্র বা নতুন বুকের ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডা ঘাম, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা গুরুতর অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দিলে শুধু ECG করানোর জন্য অপেক্ষা না করে দ্রুত নিকটস্থ জরুরি বিভাগে যান।

Content prepared by: Doctors24 Editorial Team

Medical information is verified using registered doctor data and trusted healthcare sources

Information sources: Public records, hospital data, and provided credentials

Published At: August 20, 2026

Last updated: August 20, 2026 Read Editorial Policy →

Related Cardiologist Articles

View all →

Related Cardiologist Videos

View all →